বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বরগুনায় মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করায় বাদীর ৩ মাসের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ সানাউল্লাহ: নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইকবাল মাসুদ এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোশারফ হোসেন ওরফে হারুন অর রশীদ। তিনি বরগুনার বামনা উপজেলার
বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোনবুনিয়া গ্রামের সেকান্দর আলীর ছেলে। মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আসামি একেএম শহিদুল ইসলাম, যিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সালনা বাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়,
২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর মোশারফ হোসেন বামনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একেএম শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে কানাডায় পাঠানোর কথা বলে শহিদুল
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
দ্বিতীয় অংশ
ইসলাম ১৫ লাখ টাকা গ্রহণ করলেও বিদেশে না পাঠিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আসামিকে খালাস প্রদান করেন। একই সঙ্গে আদালত মনে করেন, মামলাটি ছিল ভিত্তিহীন ও
হয়রানিমূলক। এর আগে, গত ২০ জুলাই আদালত বাদীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হয়ে আত্মগোপনে থাকেন। পরবর্তীতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ২৫০(২) ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত বাদী
মোশারফ হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি তাকে ৩০ দিনের মধ্যে খালাসপ্রাপ্ত একেএম শহিদুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় বাদী এবং তার আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।