<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>এশিয়ান সময় &#45; : অর্থনীতি</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/rss/category/অর্থনীতি</link>
<description>এশিয়ান সময় &#45; : অর্থনীতি</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>স্বত্ব © ২০২৫ এশিয়ান সময়!</dc:rights>

<item>
<title>রেকর্ড গড়ল বিটকয়েন, দাম ১ লাখ ২৪ হাজার ডলার</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/2014</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/2014</guid>
<description><![CDATA[ ২০২৫ সালে বিটকয়েন বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ।  বিটকয়েন কেনা বৃদ্ধি ও ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রিপ্টো খাতে বিনিয়োগ সহজ করার পদক্ষেপের কারণে বিটকয়েনের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202508/image_870x580_689eaf96e2c25.webp" length="67610" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 15 Aug 2025 09:57:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: আইটি ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে বিটকয়েনের দাম নতুন রেকর্ড গড়েছে। মূলত দুটি কারণে বিটকয়েনের দাম আবার বেড়েছে। ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সুদহার হ্রাসের সম্ভাবনা এবং সাম্প্রতিক আর্থিক সংস্কারের সহায়ক পরিবেশ তৈরি হওয়া—এসব কারণে বিটকয়েনের দাম নতুন রেকর্ড গড়েছে।</p>
<p></p>
<p>ক্রিপ্টো মুদ্রাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দামি হচ্ছে বিটকয়েন। আজ সকালে এশিয়ার বাণিজ্যে বিটকয়েনের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ২ ডলারে উঠেছে। এর মধ্য দিয়ে জুলাই মাসের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ছাড়িয়ে গেছে বিটকয়েন। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টো মুদ্রা টোকেন ইথারের দাম ৪ হাজার ৭৮০ ডলারে উঠেছে, যা ২০২১ সালের শেষভাগের পর সর্বোচ্চ। খবর রয়টার্স</p>
<p>বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রধানত ফেডের সুদ কমানোর সম্ভাবনা, প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে বিটকয়েন কেনা বৃদ্ধি ও ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রিপ্টো খাতে বিনিয়োগ সহজ করার পদক্ষেপের কারণে বিটকয়েনের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা। এখানেই শেষ নয়, তাঁরা মনে করছেন, বিটকয়েনের দাম ১ লাখ ২৫ হাজার অতিক্রম করলে ১ লাখ ৫০ হাজার পর্যন্ত উঠতে পারে।</p>
<p></p>
<p>২০২৫ সালে বিটকয়েন বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ। এর পেছনের কারণ হলো ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ক্রিপ্টো খাতে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা। এ নিয়ন্ত্রণ শিথিলের বিষয়টি অনেক দিন ধরেই প্রত্যাশিত ছিল। ট্রাম্প নিজেকে ‘ক্রিপ্টো প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁর পরিবার গত বছর এ খাতে বিনিয়োগ করেছে।</p>
<p></p>
<p>দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়ার পর চলতি বছরের মার্চ মাসে দেওয়া এক নির্বাহী আদেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘ক্রিপ্টো কারেন্সির কৌশলগত রিজার্ভ’ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ক্রিপ্টোবান্ধব একাধিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, যেমন এসইসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পল অ্যাটকিনস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতের সম্রাট-খ্যাত ডেভিড স্যাক্সকে হোয়াইট হাউসে নিয়োগ দেওয়া। খবর ইকোনমিক টাইমস</p>
<p>গত সপ্তাহের এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যে পেনশন হিসেবে ক্রিপ্টো মুদ্রা রাখার পথ সুগম করা হয়েছে, অর্থাৎ এই খাতে যে নিয়ন্ত্রণ আরও শিথিল হবে, এটি তারই ইঙ্গিত।</p>
<p></p>
<p>২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিপ্টো খাত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেমন স্টেবলকয়েন নিয়মাবলির অনুমোদন ও মার্কিন সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের নিয়মাবলি সংস্কার। বিটকয়েনের এ উত্থানের কারণে গত কয়েক মাসে পুরো ক্রিপ্টো খাতের মূল্য বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে। ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব এ খাতে পড়েনি।</p>
<p></p>
<p>কয়েন মার্কেট ক্যাপের তথ্যানুসারে, ক্রিপ্টো খাতের মোট বাজার মূলধন ৪ দশমিক ১৮ ট্রিলিয়ন বা ৪ লাখ ১৮ হাজার কোটি ডলার ডলার অতিক্রম করেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে যা ছিল প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন বা আড়াই লাখ কোটি ডলার, অর্থাৎ নভেম্বরে ট্রাম্প নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।</p>
<p></p>
<p>পেনশন হিসেবে ক্রিপ্টো সম্পদ রাখার বিধান ব্ল্যাকরক ও ফিডেলিটির মতো কোম্পানির জন্যও সহায়ক হতে পারে, অর্থাৎ যারা ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড পরিচালনা করে, তাদের জন্য এটি সুবিধাজনক হতে পারে। তবে পেনশন সঞ্চয়ে ক্রিপ্টো সম্পদ যুক্ত করা ঝুঁকিমুক্ত নয়, কেননা এই খাত স্টক বা বন্ডের তুলনায় অস্থির।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অক্টোবরের রেমিট্যান্সে ২১% প্রবৃদ্ধি: ২৪০ কোটি ডলারে রেকর্ড</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/903</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/903</guid>
<description><![CDATA[ অক্টোবর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রায় ২৪০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৮ হাজার ৭৪০ কোটি টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এসেছে। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202411/image_870x580_67276cb4edc74.webp" length="52634" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 Nov 2024 05:01:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>রেমিট্যান্স</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>গত বছরের তুলনায় এ বছরের অক্টোবরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২১ শতাংশ। গত বছরের অক্টোবরে রেমিট্যান্স ছিল ১৯৭ কোটি ডলার এবং তার আগের বছর ছিল ১৫২ কোটি ডলার।</p>
<p>অক্টোবর মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো দিয়ে এসেছে ৭২ কোটি ৬১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলো দিয়ে এসেছে ১৫৪ কোটি ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭১ লাখ ডলার।</p>
<p>তবে এই সময়ের মধ্যে ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক এবং বিদেশি খাতে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।</p>
<p>২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে যথাক্রমে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ, ২২২ কোটি ৪১ লাখ এবং ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।</p>
<p>সম্প্রতি শেষ হওয়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ৩৯২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় দুই লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার সমান। এটি দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে, যা ছিল দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বৈদেশিক ঋণের উচ্চমাত্রায় বাংলাদেশ: সাত বছরে দ্বিগুণ বৃদ্ধি</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/775</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/775</guid>
<description><![CDATA[ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও বাজেট সহায়তার জন্য বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ থেকে ঋণ নিচ্ছে। জাপান, চীন, রাশিয়া ও ভারতের কাছ থেকে নেয়া ঋণের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ঋণের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x580_6651391e716b6.webp" length="29936" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 May 2024 16:45:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: সোর্স নিউজ</dc:creator>
<media:keywords>রাশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, অর্থনীতি, বাণিজ্য, চীন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বড় অবকাঠামো নির্মাণ, বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশ যে ঋণ নিচ্ছে তার পরিমাণ মাত্র সাত বছরের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন যে ঋণ করছে, তার একটি বড় অংশও যাচ্ছে সেই ঋণ পরিশোধের পেছনেই।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ শত বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করার পর পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অর্থনীতিবিদরা বারবার বাংলাদেশকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি বাংলাদেশ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বাজেট সহায়তার জন্য বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে ঋণ নেয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্যে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় জাপান, চীন, রাশিয়া ও ভারতের কাছ থেকেই সবচে বেশি ঋণ নিয়েছে এবং নিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পাবলিক ও প্রাইভেট মিলিয়ে ২০১৭ সালের শেষে বাংলাদেশের সার্বিক মোট ঋণ ছিল ৫১.১৪ বিলিয়ন ডলার ২০২৩ সালের শেষ প্রান্তিকে এটি ১০০.৬৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধির সাথে সাথে এর সুদ এবং আসল পরিশোধের পরিমাণ প্রতিবছর বাড়ছে। অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক, রাজস্ব আহরণ, রপ্তানি বাণিজ্য, ডলার সংকট ও রিজার্ভ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন ভবিষ্যতে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও চাপের মুখে পড়তে পারে।</p>
<p><strong>বাংলাদেশের ঋণ পরিস্থিতি</strong></p>
<p><img src="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x_66513cc8984c3.webp" alt="বাংলাদেশের ঋণ পরিস্থিতি ফটো সোর্স বিবিসি নিউজ বাংলা" width="400" height="209"></p>
<p style="text-align: justify;">সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ঋণ পরিশোধ এবং ভবিষ্যতের ভাবনা থেকেই একটা দুশ্চিন্তা।</p>
<p style="text-align: justify;">“একশ বিলিয়ন ডলারের যে ঋণটা এর মধ্যে বেশিরভাগই সরকারের ঋণ। উনআশি বিলিয়ন ডলারতো সরকারের। সেটা জিডিপির সাথে তুলনা করলে সতের শতাংশের কাছাকাছি। খুব একটা চাপ না। কিন্তু পরিশোধ করার পরিমাণটা সুদ এবং আসল মিলিয়ে অনেক বেশি।”</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ কার কাছে কতটা ঋণ রয়েছে সেই বিষয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ওয়েবসাইটে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট ডাটা পাওয়া যায়। এ সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণ ছিল ৫৫.৬০ বিলিয়ন ডলার।</p>
<p style="text-align: justify;">এইই ঋণের অর্ধেকের বেশি ৫৭ ভাগ হলো বিশ্বব্যাংক ও এডিবির কাছে। আর দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে ঋণ করেছে তার মধ্যে জাপান, রাশিয়া, চীন ও ভারত এই চারটি দেশই প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বিপক্ষীয় চুক্তির বেলায় বাংলাদেশ জাপানের কাছেই সবচে বেশি দেনায়। জাপানের কাছে বাংলাদেশের ঋণের পরিমাণ ৯.২১ বিলিয়ন ডলার। এরপরই রাশিয়ার কাছে ৫.০৯ বিলিয়ন, চীনের কাছে ৪.৭৬ বিলিয়ন এবং ভারতের কাছে ১.০২ বিলিয়ন ডলার ঋণী বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে এ ঋণ আরো অনেক বেশি। কারণ ইআরডির তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালে মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৫শ ৬৩ কোটি ডলার ঋণ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মধ্যে সবচে বেশি এডিবি থেকে ১৪০ কোটি এবং বিশ্বব্যাংক থেকে ৯৬ কোটি ডলার নিয়েছে বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সময়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় জাপান থেকে ১৩৫ কোটি, রাশিয়া থেকে ৮০ কোটি, চীন থেকে ৩৬ কোটি, ভারত থেকে ১৯ কোটি এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৫০ কোটি ডলার ঋণ নেয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফাহমিদা খাতুন বলছেন, “আমরা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বলি, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে বলি আমাদের আরো রাস্তাঘাট সবইতো আমাদের বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। সেটা রাশিয়া, চীন, জাপান তাদের কাছ থেকে আনতে হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেইগুলো কিছু চলমান আছে। এগুলোতো ফেরত দেয়ার পরিমাণটা আস্তে আস্তে বাড়বে। একদিকে পরিমাণটা বাড়বে আরেকদিকে চিন্তার বিষয় যে আমারতো টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতির প্রবণতায় দেখা যায় সরকারের বৈদেশিক ঋণ এবং এর পরিশোধ দুটোই ক্রমাগত বাড়ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারের যে ঋণ ৫০ বিলিয়ন ছিল সেটি ২২-২৩ অর্থবছরে ৬২ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। এই ঋণ পরিশোধের ধারাও ঊর্ধ্বমুখী। পরিশোধের পরিমাণও বেড়ে চলেছে। চলমান অর্থবছরের জন্য তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি বরাদ্দ রাখতে হয়েছে বাজেটে। আগামী বছরগুলোতে সেটি চার বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, “একশ বিলিয়ন ডলার ক্রস করে ফেরেছি এখন। এটা কিন্তু অর্ধেকেরও কম ছিল এক দশক আগে। হঠাৎ করেই আমরা ডাবল করে ফেললাম কিন্তু। এই জায়গাটাতেই আমাদের ভাবতে হবে একটু যে আবার আমরা আবার ডাবল করে ফেললেতো মুশকিল হয়ে যাবে। হয়তো পাঁচ সাত বছরেই ডাবল হয়ে যেতে পারে যদি আমরা ঠিকমতো আমাদের ম্যানেজমেন্ট ঠিক না রাখি।”</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না উল্টো বিদেশে অর্থ পাচার, উচ্চ শিক্ষা ও বিদেশে চিকিৎসার জন্য বিলিয়ন ডলারের বাড়তি ব্যায় হচ্ছে যেটা দুশ্চিন্তার বিষয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে বাস্তবতা হলো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং ব্যয় বৃদ্ধি হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতে একটা বড় অঙ্কের ঋণের বোঝা রয়েছে সরকারের কাঁধে। ডলারের রিজার্ভও ক্রমাগত কমছে। সেই সাথে ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ঋণ পরিশোধে ব্যয় আরো বেড়েছে টাকার অঙ্কে।</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলছেন, বাংলাদেশকে আয় বাড়াতেই হবে। জাতীয় আয়ের তুলনায় বাংলাদেশে ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত মাত্র সাড়ে সাত শতাংশ, এটা একটা সমস্যা।</p>
<p style="text-align: justify;">“টাকার অঙ্কে কিন্তু আমার বৈদেশিক ঋণ প্রায় চল্লিশ শতাংশ বেড়ে গেছে। বিরাশি থেকে একশ সতেরো হয়ে গেছে অর্থাৎ আমাকে রাজস্ব চল্লিশ শতাংশ বেশি কালেক্ট করতে হবে। এটা হিউজ সমস্যা। আমাকে ম্যাক্রো (সামস্টিক অর্থনীতি) স্ট্যাবিলিটি রাখতেই হবে। আমাকে রাজস্ব বাড়াতেই হবে। তা না হলে আমি ম্যাক্রো স্ট্যাবিলিটি রাখতে পারবো না। এবং আমার কাঠামোগত দুর্বলতা আছে যেসব সেক্টরে সেখানে বিনিয়োগ করতে হবে করে বৈদেশিক মুদ্রা সেইভ করতে হবে।”</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বোঝা জনগণের কাঁধে</strong></p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বিদেশি ঋণের সমস্ত দায় শেষ পর্যন্ত জনগণের কাঁধেই পড়বে। জনগণের কাছ থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আদায় করেই সরকারের আয় বাড়াতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">যেমন প্রত্যক্ষ কর হিসেবে আগামী অর্থবছরে আয়কর বাড়ানোর নানা চেষ্টা থাকবে বলে শোনা যাচ্ছে। আবার পরোক্ষ করের বেলায় যেমন মেট্রোরেলের টিকিটে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে। এসব সিদ্ধান্ত বাজেটে পাশ হলে প্রত্যক্ষ কর হিসেবে জনগণকে বেশি টাকা আয়কর দিতে হবে। আর পরোক্ষ কর হিসেবে মেট্রেরেলে ভ্যাট কার্যকর হলে রেল যাত্রীরা এখন যে গন্তব্যে যেতে ১শ ভাড়া দেন সেখানে ১১৫ টাকা ভাড়া গুণতে হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, শেষ পর্যন্ত দায় কিন্তু জনগণের কাঁধেই।</p>
<p style="text-align: justify;">“বোঝা কিন্তু মানুষের ঘাড়েই। এই যে ঋণের বোঝাটা আমরা বলছি যে ঋণ কতো। অলরেডি বেড়েছে। এখন মাথাপিছু ঋণ দেড় লাখ টাকার মতো। কিছুদিন আগে এটা এক লাখ টাকার মতো ছিল। আমরা প্রত্যকের মাথায় ঋণ নিয়ে ঘুরছি। সেটা যে আমাদেরকে দিতে হবে সেটা বলছি না কিন্তু এটাতো একটা বোঝা। এখন কোনো সময় সরকার হয়তো ভাবতে পারে যে আমি কর বাড়িয়ে দিলাম। মানুষের কাছ থেকে টাকা আহরণ করতে হবে। কিন্তু তখনই কর আহরণ করা যৌক্তিকতা থাকে যখন কি না অর্থনীতিতে সুযোগ সৃষ্টি সবার জন্য একই রকম হয়।”</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সরকারের অবস্থান</strong></p>
<p style="text-align: justify;">২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার সেটির আকার সব মিলিয়ে ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে রেকর্ড এক লক্ষ কোটি টাকার ওপরে অর্থায়নের পরিকল্পনা বৈদেশিক উৎস থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার জোর দিয়ে একটি বিষয় বলে যে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধে কখনো ব্যর্থ হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এবং বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম এ মান্নান বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই ঋণ নিয়ে আসছে এবং যথাসময়ে পরিশোধ করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু ঋণ করে ঋণ পরিশোধ করাটা সমস্যা কি না এ প্রশ্নে তিনি জোরালোভাবেই ঋণের পক্ষে অবস্থান নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">“কোনো সমস্যা না। সবাই এটা করে। ঋণ পরিশোধের জন্য ঋণ নিতে হবে। আজকে যে আমি আগের ঋণ পরিশোধের জন্য নতুন ঋণ নেব এই ঋণটা পরিশোধ করবো কবে আরো বিশ বছর পরে, চল্লিশ বছর পরে। এর মধ্যে কি আমাদের অর্থনীতি স্থবির দাঁড়ায় থাকবে। এটা হবে না। তাহলেতো আমাদের কমবেশি কাজ করে আমাদের অর্থনীতি স্ফীত হবে, আয় বাড়বে। আমরা যদি গত পঞ্চাশ বছর ঋণ করে বেঁচে থাকতে পারি তাহলে কি আগামী পঞ্চাশ বছর পারবো না।”</p>
<p style="text-align: justify;">বৈদেশিক ঋণ নিয়ে অর্থনীতিবিদরা যে সাবধান করছেন সেটিকে তিনি সাধুবাদ জানান। তবে অর্থনীতির বইয়ের সূত্র আর বাংলাদেশের বাস্তবতায় যে পার্থক্য আছে সেটাও মনে করিয়ে দেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">“ইকোনোমিস্টরা হিসাব-নিকাশ করে বলেন যে এরচেয়ে বেশি হওয়া উচিৎ না অভ্যন্তরীণ ঋণ, এগুলো গ্রামারের কথা। গ্রামার ভালো কিন্তু বাস্তব জগৎ ভিন্ন।”</p>
<p style="text-align: justify;">ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশের সক্ষমতা আছে উল্লেখ করে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে বলেই আশাবাদী এম এ মান্নান।</p>
<p style="text-align: justify;">“জিডিপির আকার বাড়ছে না? বার্ষিক কালেকশন বাড়ছে না? আপনার আমার বিচারে, আশানুরূপ না হলেও বাড়ছেতো। রিজার্ভ কম হলেও আনুপাতিক হারেতো ভয়ঙ্কর নয়। রিজার্ভও কমবে, বাড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;">"আমার ধারণা সরকার প্রচুর সাবধানে আছে। এবং ইদানিংকালে এইসব কথাবার্তা বলে লাভ একটা হয়েছে যে সরকার আরো বেশি সাবধান হবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">অরিজিনাল আর্টিকেল সোর্স: <a href="https://www.bbc.com/bengali/articles/c299xp0074zo">বিবিসি নিউজ বাংলা</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশিরা কিভাবে দুবাইয়ে কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনছেন</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/541</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/541</guid>
<description><![CDATA[ দুবাই শহরে ৫৩২ জন বাংলাদেশির বিলাসবহুল বাড়ি-ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে। ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির প্রতিবেদনে প্রকাশ, এসব সম্পদের মোট মূল্য ৩৭ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। বাংলাদেশিরা বিনিয়োগের জন্য আলবেনিয়া ও সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব ব্যবহার করছেন। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x580_664684979942d.jpg" length="112876" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 May 2024 13:43:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>দুবাইয়ে ৫৩২ জন বাংলাদেশির বাড়ি-ফ্ল্যাট আছে</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরের আবাসনবাজারে এখন বিভিন্ন দেশের মানুষ বিনিয়োগ করছেন। সেলিব্রিটি থেকে শুরু করে সন্দেহভাজন অপরাধীরাও সেখানে বাড়ি কিনছেন। দুবাইয়ের আবাসনবাজারে বাংলাদেশিরাও রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, দুবাই শহরে ২০২২ সালে প্রস্তুত বা অপ্রস্তুত আবাসন সম্পদ কিনেছেন এমন বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ৩৯৪ জন, যাঁরা মোট ২২ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের সম্পদ কিনেছিলেন। বিভিন্ন তথ্য ব্যবহার করে ওই প্রতিবেদনে ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরি ধারণা করেছে, ২০২২ সালে এই সংখ্যা হতে পারে ৫৩২ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২০ সালে দুবাই শহরে প্রস্তুত ও অপ্রস্তুত সম্পদ কিনেছেন এমন বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ৪০৫ জন এবং তাঁদের কেনা সম্পদের মূল্য ছিল ২১ কোটি ১২ লাখ ডলার; সেই বছর বাংলাদেশিরা মোট ৬৫৭টি সম্পদ কিনেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরি বিভিন্ন শ্রেণিতে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে এবং ফাঁস হওয়া ঘটনার সঙ্গে নিজেদের আনুমানিক হিসাবও দিয়েছে, যেখানে ফাঁস না হওয়া ঘটনাও আমলে নেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালে যে ৫৩২ জন বাংলাদেশি আবাসন কিনেছেন, তাঁদের কেনা সম্পদের মূল্য ছিল ৩৭ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। ২০২০ সালে সে সংখ্যাটা ছিল ৫৬২ জন; অর্থের মূল্য ছিল ৩৭ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ, ২০২২ সালে বাংলাদেশি নাগরিকদের সম্পদ কেনার হার কমলেও তার অর্থের মূল্য বেড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগপ্রত্যাশী নীতির কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দুবাই শহরে বিনিয়োগ করার সক্ষমতা থাকলেই বাড়ি কেনা যায়, এ কারণে দুবাই এখন বিদেশিদের শহর হয়ে গেছে। তিন মিলিয়নের বেশি মানুষের শহরে আমিরাতিরা এখন মাত্র ৮ শতাংশ।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে দুবাই শহরে বিদেশিদের মালিকানাধীন আবাসনের মূল্য ছিল ১২১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালে ছিল ৯৮ বিলিয়ন ডলার। মূল্যের হিসাবে, দুবাই শহরের আবাসন খাতের ৪৩ শতাংশই এখন বিদেশিদের দখলে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রুশ ধনীদের বিনিয়োগ বেড়েছে, কিন্তু ভারতীয়রা এখনও সম্পদের মূল্যের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে। ২০২২ সালে ভারতীয়দের সম্পদের মূল্য ছিল ২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিকেরা, এবং তৃতীয় স্থানে সৌদি আরব।</p>
<p style="text-align: justify;">যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলির নাগরিকরাও সম্পদ কিনেছেন, যেমন ২০২২ সালে ইয়েমেন এবং ২০২০ সালে সিরিয়া। এছাড়া ফিলিস্তিন, সুদান ও আফগানিস্তানের নাগরিকরাও তালিকায় আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.prothomalo.com/business/x9qvm4h6bn" target="_blank" rel="noopener">প্রথম আলোর</a> প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি ও আজমান শহরে বাংলাদেশিরা ভিলা, ফ্ল্যাট, ছোট হোটেল, তারকা হোটেলসহ নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন। এ জন্য তাঁরা বাংলাদেশের পরিবর্তে আলবেনিয়া, সাইপ্রাসসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব ব্যবহার করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় পাম জুমেইরা, জুমেইরা, সিলিকন ওয়েসিস, এমিরেটস হিল, দুবাই মেরিনা ও বিজনেস বে’র মতো অভিজাত এলাকায়ও বাংলাদেশিরা সম্পদ গড়ে তুলেছেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রকৃত রিজার্ভ কমে ১৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/529</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/529</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x580_664494d797c4d.jpg" length="94471" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 May 2024 02:26:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে গেছে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের দায় মেটানোর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারর (২৩.৭৭ বিলিয়ন) নেমে এসেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ এখন ১ হাজার ৮৩২ কোটি ডলার (১৮.৩২ বিলিয়ন)। প্রকৃত বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা কম। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আজ এ তথ্য পাওয়া গেছে।</p>
<p>জানা গেছে, গত সপ্তাহে আকু বিল বাবদ রিজার্ভ থেকে ১৬৩ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। এরপর রিজার্ভ কমে যায়। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেওয়া নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আইএমএফ ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারে নামিয়েছে, যদিও এখন তা ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের কম। প্রতি মাসে দেশের আমদানি দায় মেটাতে এখন প্রায় ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত দুই মাসে ১৬৩ কোটি ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করেছে। ফলে রিজার্ভ কিছুটা কমেছে। সামনের মাসে আইএমএফের ঋণের কিস্তি আসবে। এ ছাড়া জুনের মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থছাড় হবে। প্রবাসী আয় চলতি মাসে ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন তিনি; অর্থাৎ ডলারের প্রবাহ বাড়বে। এতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির চাপও কমে আসবে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে ৯০ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ডলারের দাম বাড়িয়ে ১১৭ টাকা করা হয়েছে—এ বাস্তবতায় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়বে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ডলারের দাম বাড়ায় রপ্তানি আয় আসাও বাড়বে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংক এখন সরকারি আমদানি দায় মেটানোর জন্য প্রতি ডলার ১১৭ টাকা ৪৪ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করছে। আবার যেসব ব্যাংক বেশি দামে প্রবাসী আয় কিনছে, তাদের ডলার বাংলাদেশ ব্যাংক ১১৭ টাকা ৪৪ পয়সা দরে কিনে নিচ্ছে। এরপরও রিজার্ভের ক্ষয় ঠেকানো যাচ্ছে না। যে পরিমাণ ডলার বিক্রি করা হচ্ছে, কেনা হচ্ছে তার চেয়ে কম।</p>
<p>অর্থনীতিক সংকট ঠেকাতে আইএমএফের শর্ত মেনে গত সপ্তাহে ডলারের মধ্যবর্তী দাম ১১৭ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক; আগে যা ছিল ১১০ টাকা। এদিকে ঋণের সুদহারও বাজারভিত্তিক করা হয়েছে।</p>
<p>ডলার-সংকটের মধ্যে আর্থিক হিসাব ও চলতি হিসাবে ঘাটতি হওয়ায় ২০২২ সালের জুলাইয়ে আইএমএফের কাছে ঋণ চায় বাংলাদেশ। ছয় মাস পর সংস্থাটি গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। এর তিন দিনের মাথায় ২ ফেব্রুয়ারি ঋণের প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ও গত ডিসেম্বর মাসে দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। ঋণের তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি ডলার আগামী মাসে আসবে।</p>
<p>এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন অর্থাৎ আকু হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যকার আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রপ্তানি হয়, প্রতি দুই মাস পরপর তা নিষ্পত্তি হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়।</p>
<p>আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় এই তালিকা থেকে শ্রীলঙ্কা বাদ পড়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সব প্রস্তুত, প্রস্তুত নয় ‘উদ্বোধন’</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/297</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/297</guid>
<description><![CDATA[ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর রেলযোগাযোগ স্থাপন এবং কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে ডুয়েলগেজ রেলপথ। আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ) প্রকল্পের মাধ্যমে এই কাজ শেষ হয়েছে আরও কয়েক মাস আগে। ইতোমধ্যে এই রেলপথে একাধিকবার পরীক্ষামূলকভাবে পরিদর্শন কার চলাচলও করেছে। তবে নতুন এই রেলপথ কবে উদ্বোধন করা হবে তা এখনো জানা নেই সংশ্লিষ্টদের। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202309/image_870x580_64ffe6ab335e6.jpg" length="152754" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Sep 2023 19:49:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>এম.মোরছালিন : স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/250">বর্তমান সরকারের টানা ৩য় মেয়াদ শেষ</a> হতে যাচ্ছে কয়েক মাসের মধ্যে। এ অবস্থায় যেসব প্রকল্প এ বছরের মধ্যে শেষ করা সম্ভব সেগুলোর প্রায় সবকটি উদ্বোধনের চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার। কিছু প্রকল্প এরই মধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে আর কিছু উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন কবে হবে সে বিষয়ে কেউ সঠিক তথ্য জানাতে পারছেন না।প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রেন চালানোর মতো কাজ শেষ হয়েছে। টুকিটাকি যেসব কাজ বাকি আছে, তাও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তেমন কোনো কাজ বাকি নেই। কিন্তু কবে এই পথ ধরে আন্তঃদেশীয় বাণ্যিজিক যাত্রা শুরু হবে সেটি এখনো বলা যাচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, ভারতের<a href="https://www.asiansomoy.com/206"> প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময় </a>না পাওয়ার কারণে এ রেলপথ উদ্বোধনের তারিখ বলা যাচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সময় মিলিয়ে রেলপথটি উদ্বোধন করার একটা পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কোনো কারণে সেটি হয়ে ওঠেনি।সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এটি উদ্বোধন হতে পারে। যদিও সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ এখন চলমান। কিন্তু উদ্বোধনের কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">গত ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করে বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি প্রতিনিধি দল। সেই দলের নেতৃত্ব দেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. ইয়াছিন। তখন জানানো হয়েছিল, ৯ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রেলপথটি উদ্বোধন করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে জানতে চাইলে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্পের পরিচালক মো. আবু জাফর মিঞা ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ রেলপথ কবে উদ্বোধন হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই।সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, জি-২০ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা ছিলেন। সেখানে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাদের সবার সঙ্গে সময় দিয়েছেন। এত বিশাল আয়োজন, সেজন্য হয়তো সময় হয়নি। এ কারণে প্রকল্পের উদ্বোধন পিছিয়েছে। যেহেতু এ প্রকল্পের একটা বড় অংশ ভারতের সঙ্গে রয়েছে, তাই এখানে তাদের আগ্রহ বেশি ছিল। প্রধানমন্ত্রী মাত্র দেশে এলেন। পরবর্তী সময়ে ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের সময় ঠিক করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়ার গঙ্গাসাগর থেকে আগরতলার নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১৮ সালের ২১ মে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয়। দুই দেশের মধ্যকার এই রেলপথের দৈর্ঘ্য ১২.২৪ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে রয়েছে ৬.৭৮ কিলোমিটার। প্রকল্পটি (বাংলাদেশ অংশ) বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৪১ কোটি টাকা। ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। দেড় বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারিসহ নানা সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি তারা।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/280">২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত</a> সফরের সময় এই রেলপথ নির্মাণের বিষয়ে উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়। রেলপথটি আগরতলা থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভ্রমণের সময় ও দূরত্ব কমিয়ে দেবে। প্রকল্পটি চালু হলে ৩১ ঘণ্টার পরিবর্তে এ পথে সময় লাগবে ১০ ঘণ্টা। আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ৬৫০ কিলোমিটার থেকে কমে দাঁড়াবে মাত্র ৫১৩ কিলোমিটারে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কার্ব মার্কেটে ডলারের দামে নতুন রেকর্ড</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/178</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/178</guid>
<description><![CDATA[ খোলা বাজারে বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দামে নতুন রেকর্ড গড়েছে। খোলা বাজারে এখন প্রতি ডলার সর্বোচ্চ প্রায় ১১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ করে কার্ব মার্কেটে ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্ত এর বিপরীতে জোগান বাড়েনি। ফলে এমার্কেটে ডলারের সংকট আরও প্রকট আকার ধারন করেছে।  ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202308/image_870x580_64eb616e65069.jpg" length="91623" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Aug 2023 06:15:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>এম.মোরছালিন : স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">এদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও নগদ ডলারের দাম বেড়েছে। ব্যাংকগুলো গড়ে ১১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১১২ টাকা দরে ডলার বিক্রি হচ্ছে। তবে বেশির ভাগ ব্যাংকেই নগদ ডলারের সংকট রয়েছে। যে কারণে তারা নগদ ডলার বিক্রি করতে পারছে না। এতে কার্ব মার্কেটে চাপ আরও বেড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ডলারের খোলা বাজার বা কার্ব মার্কেট পুরোটাই বেআইনীভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকার মতিজিল, দিলকুশা, পল্টন, গুলশান, চট্টগ্রাম, বিমান বন্দরে ডলারের খোলা বাজার গড়ে ওঠেছে। ব্যাংক থেকে ডলার না পেয়ে অনেকেই এখন থেকে কিনেন। আবার ব্যাংকের চেয়ে বেশি দাম পেয়ে অনেকেই খোলা বাজাওে ডলার বিক্রি করনে। </p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, কার্ব মার্কেটে এক মাস আগেও প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১১৪ টাকা করে। এর পর থেকে দাম বাড়তে থাকে। চলতি মাসের প্রথম দিকে কখনো কখনো ১১৬ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে দাম বেড়ে ১১৭ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত বুধবার প্রতি ডলার বিক্রি হয় সর্বোচ্চ ১১৭ টাকা ৮০ পয়সা দরে। </p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার ওই দর ঠিক থাকলেও কোথাও কোথায় ১১৮ টাকার কাছাকাছিতেও বিক্রি হয়েছে। রোববার দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকার কার্ব মার্কেটে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে গড়ে ১১৭ টাকা ৯০ পয়সা দরে। দিনের শেষ দিকে তা ১১৮ টাকা করেও বিক্রি হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১ আগস্ট থেকে ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলারের দাম গড়ে এক টাকা বেড়ে যায়। বেশির ভাগ ব্যাংকে নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১১২ টাকা। ফলে ব্যাংকের সঙ্গে কার্ব মার্কেটের ব্যবদান হচ্ছে ৬ থেকে ৮ টাকা। </p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে ব্যাংকগুলো কিনছে ১০৯ থেকে ১১১ টাকা করে। কার্ব মার্কেটে ডলার কেনা হচ্ছে ১১৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১১৭ টাকা ১০ পয়সা দরে। ব্যাংকের চেয়ে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় দেশে যেসব নগদ ডলার আসছে সেগুলোর বড় অংশই চলে যাচ্ছে কার্ব মার্কেটে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশে নগদ ডলারের আসে মূলত প্রবাসীদের মাধ্যমে। প্রবাসী বা বিদেশ ফেরৎ ব্যক্তিরা যেসব নগদ ডলার সঙ্গে নিয়ে আসেন সেগুলো তারা এখন বিক্রি করেন কম। বেশির ভাগই নিজেদের কাছে রেখে দেন। কারণ ডলারের দাম হু হু করে বাড়ছে। এগুলো বিদেশে যাওয়ার সময় নিজেরা ব্যবহার করছেন। </p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া দাম ব্যাংকের চেয়ে বেশি হওয়ায় কিছু ডলার চলে কার্ব মার্কেটে। ফলে ব্যাংকে ডলারের জোগান কমেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বছরের প্রথম দিকে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম কমে এসেছিল। তখন ব্যাংক ও কার্ব মার্কেটে এর দাম কাছাকাছি চলে এসেছিল। কারণ ওই সময়ে বেআইনীভাবে ডলার জমুদ ও হুন্ডির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো থেকেও অভিযান পরিচালনা হচ্ছিল। ফলে ডলারের দামও কার্ব মার্কেটে কমে গিয়েছিল। </p>
<p style="text-align: justify;">এখন ওই অভিযান শিথিল হয়ে পড়ায় ও কার্ব মার্কেটে চাহিদা বাড়ায় এর দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ব্যক্তি পর্যায়ে কোটার অতিরিক্ত ডলার রাখলে শাস্তির বিধান রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এক প্রবাসী বা বিদেশ ফেরৎ ব্যক্তি নিজের কাছে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার রাখতে পারবেন। এর বেশি ডলার থাকলে তা ব্যাংকে বা মানি চেঞ্জার্স প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করতে হবে বিদেশ থেকে আসার এক মাসের মধ্যে। ওই ডলার নিজের কাছে রাখার বিষয়ে সংশ্লিস্ট বন্দরে সংরক্ষিত কাস্টমস ফরমে ঘোষনা দিতে হবে। </p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু এ ধরনের ঘোষনা ছাড়াই বা ব্যাংক থেকে বা কার্ব মার্কেট থেকে কিনে অনেকেই ডলার নিজেরে কাছে রাখছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশ ভ্রমণ বা চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবনতা বেড়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে ব্যাংক থেকে ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কার্ব মার্কেটের ওপর চাপ বেড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের এপ্রিল থেকেই দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। মে মাসে তা প্রকট আকার ধারন করে। এর পর থেকে এ সংকট ক্রমেই বাড়ছে। এতে ডলারের দামও বাড়ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের এই সময়ে ব্যাংকে প্রতি ডলার ছিল ৯৫ টাকা। এখন তা বেড়ে দাড়িয়েছে ১১০ টাকা। ওই দাম বেড়েছে ১৫ টাকা। খোলা বাজারে এক বছর আগে ছিল ৯৮ টাকা। এখন ১১৮ টাকা। বেড়েছে ২০ টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে এলসি খোলার জন্যও ব্যাংকগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী ডলার মিলছে না। কেবল রপ্তানিকারকরা এখন স্বাভাবিক গতিতে এলসি খুলতে পারছেন। বাণিজ্যিক পণ্য আমদানিকারকরা ডলার সংস্থান করতে পারলে এলসি খুলতে পারছেন। </p>
<p style="text-align: justify;">আর ডলারের সংস্থান করতে না পারলে এলসি খুলতে পারছেন না। রেমিটেন্সের ডলারের বড় অংশ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানিতে খরচ হচ্ছে। কিছু ডলার বৈদেশিক<a href="https://www.asiansomoy.com/162"> ঋণ শোধেও ব্যয় হচ্ছে।</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২০ হাজার ৫ শত ৬১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/162</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/162</guid>
<description><![CDATA[ চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে ২০ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।  যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202308/image_870x580_64e8c7ddcac2b.jpg" length="108330" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 26 Aug 2023 06:56:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>এম.মোরছালিন : স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে এ তথ্য মিলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/">এনবিআরের তথ্য বলছে,</a> জুলাইয়ে মূল্য সংযোজন করে বা ভ্যাট আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১. ৫১ শতাংশ। জুলাইয়ে ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৭ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই মাসে শুল্ক আদায়ে ১৩ দশমিক ৭০ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সাত হাজার ১৬২ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে সাত হাজার ৬৯৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক আদায়ে মন্দা ভাব  ছিল। চলতি বছরে সে মন্দাভাব কিছুটা কেটে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই মাসে আয়কর কিছুটা কম আদায় হয়েছে। <a href="https://www.asiansomoy.com/145">জুলাই মাসে ৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার</a> বিপরীতে আদায় হয়েছে ৫ হাজার ২১৩ কোটি টাকা। প্রবৃদ্ধির হয়েছে ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ ।</p>
<p style="text-align: justify;">এই তিন খাত মিলিয়ে জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৯১.৬৭ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। ২০২২-২৩ এর জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ছিল ৮৬.৫৭ শতাংশ।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি অর্থবছর এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে মূসক থেকে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১০০ কোটি টাকা, আয়কর থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ও আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকে <a href="https://www.asiansomoy.com/143">১ লাখ ১৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা</a> লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ হিসাবে জুলাই মাসের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায় কিছুটা কম হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের নতুন অর্থসচিব হলেন খায়েরুজ্জামান মজুমদার।</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/139</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/139</guid>
<description><![CDATA[ দেশের নতুন অর্থসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। তিনি বর্তমানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x580_6647a03de5ec8.jpg" length="40347" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Aug 2023 05:30:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>এম.মোরছালিন : স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আজ বুধবার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে <a href="https://www.asiansomoy.com/138">জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়</a>। এতে বলা হয়েছে, আগামী ২৮ আগস্ট থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">খায়েরুজ্জামান মজুমদার বর্তমান অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, খায়েরুজ্জামান মজুমদারের জায়গায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব হচ্ছেন মো. নুরুল আলম। তিনি বর্তমানে বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">খায়েরুজ্জামান মজুমদার ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে ১১তম ব্যাচে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) কর্মকর্তা হিসেবে অর্থ <a href="https://www.asiansomoy.com/137">মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের</a> (এনবিআর) বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।                       </p>
<p style="text-align: justify;">খায়েরুজ্জামান মজুমদার যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার (রাজনৈতিক অর্থনীতি) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে তিনি<a href="https://www.asiansomoy.com/"> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক</a> সম্পর্ক বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে এমএসএস ডিগ্রি এবং প্রথম স্থান অর্জন করে একই বিষয়ে বিএসএস (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘ পেশাগত কর্মজীবনে তিনি রাজস্ব, অর্থ, বাণিজ্য এবং উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে দেশ-বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সর্বজনীন পেনশনে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছেন যারা</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/85</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/85</guid>
<description><![CDATA[ দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে বহুল প্রতীক্ষিত সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করেছে সরকার। গত বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) এ স্কিম উদ্বোধনের পর থেকে ব্যাপক সাড়া মিলছে। ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/pension-20230819122849.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 19 Aug 2023 22:34:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>মোঃ সানাউল্লাহ: নিজস্ব প্রতিবেদক</dc:creator>
<media:keywords>সর্বজনীন পেশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শুক্রবার (১৮ আগস্ট) রাত পর্যন্ত প্রথম কিস্তির টাকা জমা দিয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ২ হাজার ৯৫০ জন নিবন্ধন করেছেন। যদিও সাধারণ নিবন্ধনের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে শনিবার (১৯ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নিয়ন্ত্রণ) বিলকিস জাহান রিমি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিবন্ধন উৎসাহব্যঞ্জক। তবে আমরা শুধু রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু টাকা জমা দেননি সেই হিসাবটা করতে চাইছি না। যারা টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন নিয়েছেন, সেই সংখ্যাটা বিবেচনায় নিচ্ছি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, গতকাল রাত পর্যন্ত ২ হাজার ৯৫০ জন ব্যক্তি বিভিন্ন স্কিমে টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন নিয়েছেন। আজকের তথ্য এখনও আমরা নেইনি। অনেকেই আগ্রহ নিয়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন। যেহেতু আমরা নিশ্চিত নই তারা স্কিম গ্রহণ করবেন কি না, তাই ওই সংখ্যাটা ধরছি না।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে উদ্বোধনের দিন ১৭ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বজনীন পেনশন স্কিমের জন্য কমপক্ষে ৬ হাজার ১০০ জন সাইন আপ করেছিলেন। <a href="https://www.asiansomoy.com/14">যাদের ৪৬৩ জন তাদের প্রথম</a> কিস্তির টাকা জমাও দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বহুল প্রতীক্ষিত সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) বৃহস্পতিবার সকালে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পরপরই সবার জন্য সার্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উন্মুক্ত করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট www.upension.gov.bd চালু করা হয়েছে এবং ৪টি স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ও মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংকে টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। সিস্টেম চালু হওয়ার পর থেকে দেশে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের জারি করা সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিধিমালা অনুযায়ী, এ কর্মসূচিতে যুক্ত হলে ৬০ বছর বয়সের পর থেকে আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন গ্রাহক। চাঁদা পরিশোধের পর তিনি মারা গেলে তার নমিনি বা উত্তরাধিকারী পেনশন পাবেন ১৫ বছর।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আপাতত চার ধরনের স্কিম চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসীদের জন্য প্রবাস স্কিম, বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রগতি স্কিম, অনানুষ্ঠানিক খাত অর্থাৎ স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য সুরক্ষা স্কিম আর নিম্নআয়ের মানুষের জন্য রয়েছে সমতা স্কিম।</p>
<p style="text-align: justify;">পরবর্তী সময়ে শ্রমজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য আরও দুই ধরনের প্যাকেজ চালু <a href="https://www.asiansomoy.com/82">করা হতে পারে বলে জানা গেছে।</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিদেশ থেকে অর্থ পাচার করায় সিঙ্গাপুরে গ্রেপ্তার ১০| ১০০ কোটি ডলারের অর্থ&#45;সম্পদ জব্দ</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/71</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/71</guid>
<description><![CDATA[ সিঙ্গাপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেশটিতে পাচার করে আনা প্রায় ১০০ কোটি ডলারের অর্থ-সম্পদ জব্দ করেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক নারীসহ ১০ জনকে, যাঁদের বেশির ভাগই বিদেশি নাগরিক। তাঁদের বয়স ৩১ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। গত মঙ্গলবার এই অভিযান চালানো হয়। ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.ajkerpatrica.net/contents/cache/images/720x0x1/uploads/media/2023/08/16/d601d0ff4d50fa39a6df420cae7ecbd8-64dcf7f8b0929.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 18 Aug 2023 12:37:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: নিউজ ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>অর্থ পাচার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>সিঙ্গাপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেশটিতে পাচার করে আনা প্রায় ১০০ কোটি ডলারের অর্থ-সম্পদ জব্দ করেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক নারীসহ ১০ জনকে, যাঁদের বেশির ভাগই বিদেশি নাগরিক। তাঁদের বয়স ৩১ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। গত মঙ্গলবার এই অভিযান চালানো হয়।</strong></p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ পাচার করে আনার অভিযোগে এটা দেশটিতে পুলিশের অন্যতম বড় অভিযান বলা হচ্ছে।<br>পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তাদের তালিকায় থাকা সন্দেহভাজন আটজন পলাতক। আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ব্যক্তিরা সিঙ্গাপুরের অভিজাত এলাকায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযানে পুলিশ বিলাসবহুল গাড়ি, অলংকার, হাতব্যাগ, ঘড়ি, মুঠোফোন, কম্পিউটারসহ আরো অনেক জিনিস জব্দ করেছে।<br>গত মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের পুলিশ দেশের ট্যাংলিন, বুকিত তিমাহ, অরচার্ড রোড, সেন্তোসা, রিভার ভ্যালিসহ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালায়। গত বুধবার গভীর রাতে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে। ওই রাতেই তাঁদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ জানায়, তারা অবৈধ উপায়ে অর্থ লেনদেনের তথ্য পেয়ে ওই অভিযান চালায়। সিঙ্গাপুরের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে লেনদেনের সন্দেহজনক জাল নথিও তাদের নজরে আসে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে একযোগে অভিযানে নামে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্সের (এসপিএফ) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৪০০-র বেশি পুলিশ অভিযানে অংশ নেয়। অপরাধ তদন্ত বিভাগ, বাণিজ্যবিষয়ক বিভাগ (সিএডি), দাঙ্গা পুলিশের  বিশেষ বাহিনী, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা এতে যুক্ত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গ্রেপ্তার করা এবং পালিয়ে থাকা বিদেশিরা নিজ দেশে অর্থপাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই সঙ্গে তাঁরা অনলাইন জুয়া খেলার সঙ্গেও জড়িত। সন্দেহজনক লেনদেন নিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিবেদন পাওয়ার পর পুলিশ ব্যাপকভাবে অনুসন্ধানের পরই পুলিশ তাঁদের শনাক্ত করে। সিঙ্গাপুরের মনিটারি অথরিটি (এমএএস) জানিয়েছে, তাঁদের অবৈধ লেনদেন প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জব্দের তালিকা</p>
<p style="text-align: justify;">এসপিএফ জানিয়েছে, অভিযানে ৯৪ খণ্ড জমি এবং ৫০টি গাড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করা হয়েছে। মালিকরা এসব জমি ও গাড়ি বিক্রি করতে পারবেন না। এই জমি ও গাড়ির মোট মূল্য ৮১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি। এ ছাড়া বিপুলসংখ্যক মদের বোতল জব্দ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">৩৫টির বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলোতে ১১ কোটি ডলারের বেশি অর্থ জমা রয়েছে। জব্দের তালিকায় আরো রয়েছে অনলাইনে সম্পদ থাকার ১১টি নথি, দুটি সোনার বার, ২৫০টির বেশি দামি ব্যাগ ও ঘড়ি, ১২০টির বেশি মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার, ২৭০টির বেশি অলংকার। অভিযানে জব্দ করা অর্থের পরিমাণ দুই কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">কে কোন দেশের নাগরিক</p>
<p style="text-align: justify;">আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন সাইপ্রাসের নাগরিক। তাঁর বয়স ৪০ বছর। তিনি বুকিট টিমাহ এলাকার বিলাসবহুল একটি বাংলোয় বসবাস করতেন। তাঁর কাছ থেকে ২১ লাখ ডলার জব্দ করা হয়েছে। তাঁর ১৩টি সম্পত্তি এবং পাঁচটি গাড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এসব সম্পত্তি ও গাড়ির মূল্য ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বেশি। তাঁর নামে থাকা চারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে আছে ৬৭ লাখ ডলার।</p>
<p style="text-align: justify;">গ্রেপ্তার এড়াতে সাইপ্রাসের নাগরিক সু হেইজিন (৪০) তিনতলা থেকে লাফ দেন। এরপর নালার ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় ধরা পড়েন তিনি। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন তুরস্কের নাগরিক ভ্যাং শুইমিং (৪২)। তাঁর বিরুদ্ধে কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। চীনা নাগরিক ঝাং রুইজিন (৪৪) ও লিন বাওয়েয়িংকে (৪৩) সান্তোস কোভের পার্ল দ্বীপের একটি বাংলো থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কম্বোডিয়ার নাগরিক সু বাওলিন (৪১), ভানুয়াতুর নাগরিক ৩৫ বছর বয়সী সু জিয়ানফেং গ্রেপ্তার হয়েছেন দুটি বিলাসবহুল বাংলো থেকে। রিভার ভ্যালি এলাকার লিওনি হিল রোডের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন কম্বোডিয়ার নাগরিক চেন কুইনজিগুয়ান (৩৩)। অরচার্ড এলাকার পেটারসনের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার হন সাইপ্রাসের ওয়াং দেহাই (৩৪)। আরেক চীনা নাগরিক ওয়াং বাউসেন (৩১) ধরা পড়েছেন ট্যাংলিন এলাকা থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিঙ্গাপুরের অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিএডির পরিচালক ডেভিড চেউ বলেন, সিঙ্গাপুর যাতে পাচার করা অর্থের গন্তব্য না হয় সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটগুলো একযোগে কাজ করছে। সিঙ্গাপুরকে অপরাধীদের বা তাঁদের পরিবারের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া হবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ডেভিড চেউ আরো বলেন, ‘এসব অপরাধীর উদ্দেশে আমাদের বার্তা স্পষ্ট, যদি আমরা আপনাকে শনাক্ত করতে পারি, অবশ্যই আপনাকে গ্রেপ্তার হতে হবে। যদি কোনো অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়, সেটা জব্দ করা হবে। আমরা আমাদের আইন মেনেই এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব।’</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র : দ্য স্ট্রেইটস টাইমস</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ৫ টাকা</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/32</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/32</guid>
<description><![CDATA[ লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ৫ টাকা ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/oil-20230813195653.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Aug 2023 16:52:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ৫ টাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>বিশ্ববাজারে দাম কমায় লিটারে সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা কমিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সয়াবিন তেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন রোববার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ <a href="https://www.asiansomoy.com/25">তথ্য জানিয়েছে</a>।</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সংগঠনের নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের আমদানি মূল্য কমেছে। তাই বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যাসোসিয়েশন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নতুন দর অনুসারে, ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য হবে ১৭৪ টাকা। যা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭৯ টাকা। অর্থাৎ লিটারে দাম ৫ টাকা কমানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম কমানো হয়েছে ২৩ টাকা। আগের মূল্য ছিল ৮৭৩ টাকা, নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫০ টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও ১ লিটার লুজ সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৪ টাকা। যা আগে ছিল ১৫৯ টাকা, অর্থাৎ দাম ৫ টাকা কমানো হয়েছে। যা ১৪ আগস্ট (সোমবার) থেকে কার্যকর হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে, বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন চিনির দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা করে কমিয়েছে। রোববার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য <a href="https://www.dhakapost.com/economy/215297">জানিয়েছে সংগঠনটি</a>।</p>
<p style="text-align: justify;">এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপরিশোধিত চিনির আন্তর্জাতিক বাজার দর ও স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলগুলোর উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন পরিশোধিত চিনির মূল্য কেজিপ্রতি ৫ টাকা কমিয়েছে। যা কার্যকর হবে ১৪ আগস্ট (সোমবার) থেকে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডলারের সংকটে ৫৭ শতাংশ বিমা কোম্পানির মুনাফায় ধস</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/18</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/18</guid>
<description><![CDATA[ ডলারের সংকটে ৫৭ শতাংশ বিমা কোম্পানির মুনাফায় ধস ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.ajkerpatrica.net/contents/cache/images/720x0x1/uploads/media/2023/03/28/308fba6eaf084d70fc801a84449d8a22-64229526ae9de.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Aug 2023 04:50:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>ডলারের সংকটে ৫৭ শতাংশ বিমা কোম্পানির মুনাফায় ধস</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ডলারের সংকটে আমদানিতে কড়াকড়ি চলছে। কমে এসেছে ঋণপত্র খোলা ও জাহাজে পণ্য পরিবহন। আর এতেই ধস নেমেছে বিমা কোম্পানিগুলোর মুনাফায়। চলতি বছরের ছয় মাসে তালিকাভুক্ত সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর ৫৭ শতাংশেরই <a href="https://www.asiansomoy.com/17">মুনাফা কমেছে</a> উল্লেখযোগ্য হারে।</strong></p>
<p>জাহাজে পরিবহন হওয়া আমদানি-রপ্তানি পণ্য বিমার আওতায় থাকে। এ থেকে বিমা কোম্পানিগুলোর যে আয় হয়, তা ‘মেরিন ব্যবসা’ নামে পরিচিত। এই খাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিমা কোম্পানিগুলোর আয়ের বড় অংশ আসে মেরিন ব্যবসা থেকে। ডলারের সংকটে আমদানি কমে যাওয়ায় সেই ব্যবসায় ভাটা পড়েছে।</p>
<p>দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাধারণ বিমা খাতের কোম্পানির সংখ্যা ৪২টি। সম্প্রতি চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিগুলো। প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২৪টি সাধারণ বিমা কোম্পানির মুনাফা কমেছে, যা মোট তালিকাভুক্ত কোম্পানির ৫৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। বিপরীতে বেড়েছে কেবল ১৭টি কোম্পানির মুনাফা।</p>
<p>সিংহভাগ বিমা কোম্পানির মুনাফা কমার পেছনে তিনটি কারণের কথা বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। এগুলো হলো ডলারের সংকটে আমদানি হ্রাস, পুঁজিবাজার থেকে ভালো রিটার্ন না পাওয়া এবং কোম্পানির পরিচালন ব্যয়।</p>
<p>এ বিষয়ে এশিয়া ইনস্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ইমাম শাহীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আয় কমে যাওয়ার পেছনে তিনটি কারণ রয়েছে। প্রথম কারণটি হচ্ছে, মেরিন ব্যবসা। এই ব্যবসা আমাদের সুবিধাজনক। এখান থেকেই আমরা মার্জিন (মুনাফা) করে থাকি। মেরিন ব্যবসা ভালো হলে আমাদের কোম্পানির স্বাস্থ্যটা ভালো থাকে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন ঠেকাতে বিলাস পণ্যসহ আমদানিতে কৃচ্ছ্রসাধন করা হচ্ছে। ডলার-সংকটের কারণে এলসি হচ্ছে না, আমদানি হচ্ছে না। আমদানি না হলে মেরিন ব্যবসা হবে না। আমার দৃষ্টিতে এটা বিমা কোম্পানির মুনাফা কমার একটা বড় কারণ।’ </p>
<p>কোম্পানিগুলোর মুনাফার চিত্র <br>বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে মুনাফা হ্রাসের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে প্রভাতী ইনস্যুরেন্স। কোম্পানিটির আয় কমেছে ৮৯ পয়সা বা ৪৬ শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ শতাংশ ইসলামী কমার্শিয়াল ইনস্যুরেন্সের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২ শতাংশ মুনাফা কমেছে সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্সের।</p>
<p>এ ছাড়া ৩০ শতাংশের নিচে ও ২০ শতাংশের ওপরে মুনাফা কমেছে আরও ৯টি কোম্পানির। ১২ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা কমেছে ছয়টির, আর ১০ শতাংশের নিচে মুনাফা কমেছে আরও ছয়টি বিমা কোম্পানির।</p>
<p>মুনাফা হ্রাসের তালিকায় সবার নিচে রয়েছে তাকাফুল ইসলামী ইনস্যুরেন্স। প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা কমেছে ১ শতাংশ। একমাত্র কোম্পানি হিসেবে ফেডারেল ইনস্যুরেন্সের মুনাফা অপরিবর্তিত ছিল।</p>
<p>আমদানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিমা কোম্পানির মুনাফা কমার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের মন্দাবস্থা ও কোম্পানির পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়াকেও কিছু ক্ষেত্রে দায়ী করছেন বিশ্লেষকেরা।</p>
<p>এর মধ্যে হাতেগোনা কিছু কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। এদের কয়েকটি ভালো মুনাফা করলেও ১০টি কোম্পানি মুনাফা করেছে মাত্র <a href="https://www.ajkerpatrika.com/287007/%E0%A6%A1%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A7%AB%E0%A7%AD-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A7%E0%A6%B8">১ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত।</a></p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আল-আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আয় কমে যাওয়ার মূল কারণ তো অবশ্যই আমদানি কমে যাওয়া বা বিভিন্নভাবে তাদের ইনস্যুরেন্সের যে প্রিমিয়াম হয়, আমদানি না হলে সেটা তো হবে না। অন্যদিকে পুঁজিবাজারের অধিকাংশ ভালো শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে রয়েছে। ভালো শেয়ার ছাড়া স্বল্প মূলধনি ও পচা শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী হিসেবে বিমা কোম্পানিগুলো অবশ্যই ফান্ড দেবে না। সে ক্ষেত্রে তারা পুঁজিবাজার থেকেও খুব বেশি মুনাফা করতে পারেনি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>