<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>এশিয়ান সময় &#45; : আইন&#45;আদালত</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/rss/category/আইন-আদালত</link>
<description>এশিয়ান সময় &#45; : আইন&#45;আদালত</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>স্বত্ব © ২০২৫ এশিয়ান সময়!</dc:rights>

<item>
<title>জুলাই গণহত্যাকারীদের কেউই ছাড় পাবেন না: চিফ প্রসিকিউটর</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/1366</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/1366</guid>
<description><![CDATA[ জুলাই গণহত্যাকারীদের কেউই ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202508/image_870x580_6899c002a8bd9.webp" length="43634" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 Aug 2025 16:00:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>জুলাই, গণহত্যাকারীদের, কেউই, ছাড়, পাবেন, না:, চিফ, প্রসিকিউটর</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<article>
<p>সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।</p>
<p>এদিন জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে রাজধানীর চানখারপুলে শিক্ষার্থী আনাসসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন তাজুল ইসলাম।</p>
<p>তাজুল ইসলাম বলেন, “যারা মনে করেছিলেন বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়ে পার পাওয়া যাবে কিংবা প্রতিবিপ্লব ঘটিয়ে বিচারকাজকে বানচাল করা যাবে, তাদের জন্য পরিষ্কার বার্তা হলো যারা অপরাধ করেছেন তারা কেউ ছাড় পাবেন না। বিচারের প্রক্রিয়া কোনোভাবেই বন্ধ হবে না।”</p>
<p>সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “যেসব তরুণরা রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে দ্বিতীয়বার মুক্ত করেছেন, তাদের স্বজন-পরিবার বেঁচে আছেন। তাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমেই দেড় হাজারেরও বেশি মানুষের জীবন যাওয়া পরিবারের প্রতি জাস্টিস করার যে চেষ্টা, সেটা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হবে।”</p>
<p>চানখারপুলে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য শুরু করেন শহিদ আনাসের বাবা শাহরিয়ার খান পলাশ। এছাড়া সাক্ষী হিসেবে তার মাও উপস্থিত রয়েছেন।</p>
<p>এর আগে, ১৪ জুলাই এ মামলায় পলাতক চার আসামিসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p>বর্তমানে এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন চারজন। তারা হলেন- শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।</p>
<p>গত ৩ জুলাই চানখারপুলের মামলাটির অভিযোগ গঠন নিয়ে দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। সেদিন আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম।</p>
<p>এছাড়া পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও ট্রাইব্যুনালে হাজির হননি সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজন। বাকিরা হলেন- ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।</p>
<p>গত ২৯ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষ হয়। তবে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন শুনানির জন্য সময় চান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।</p>
<figure class="op-tracker"></figure>
<figure class="op-tracker"></figure>
<figure class="op-tracker"><img src="https://certify.alexametrics.com/atrk.gif?account=lHnTq1NErb205V" height="1" width="1" alt=""></figure>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দুর্নীতি করে কেউ রক্ষা পাবেনা: ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/1365</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/1365</guid>
<description><![CDATA[ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, &quot;দুর্নীতি করে কেউ রক্ষা পাবে না। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202508/image_870x580_6899c253981d9.webp" length="56128" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 Aug 2025 16:00:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>দুর্নীতি, করে, কেউ, রক্ষা, পাবেনা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় নওগাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সোমবার সকাল ১০টায় জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি যৌথভাবে জয়পুরহাট শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক গণশুনানির আয়োজন করে।</p>
<p>''রুখব দুর্নীতি, গড়ব দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ' এই স্লোগানে জয়পুরহাট জেলার সুবিধাবঞ্চিত ও হয়রানির শিকার নাগরিকদের সরাসরি অভিযোগ শোনেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।</p>
<p>উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব প্রমুখ।</p>
<p>এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুদক রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ফজলুল হক। গণশুনানিতে সভাপতি ও মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক আফরোজা আকতার চৌধুরী।</p>
<p>জয়পুরহাটের গণশুনানিতে সেবাগ্রহীতারা জয়পুরহাট সদর উপজেলার ৩৪টি সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের সেবা না পাওয়া বিষয়ক ৭৯টি অভিযোগ দায়ের করেন। তার মধ্যে ৬৭টি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়।</p>
<p>অভিযোগ দায়ের করা বিভাগগুলোর মধ্যে ছিল জেলা হাসপাতাল, ভূমি অফিস, বিআরটিএ, সমাজসেবা, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, কৃষি বিপণন, পৌরসভা, এলজিইডি, গণপূর্ত বিভাগ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখা, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, জীবনবীমা কর্পোরেশন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, বিএমডিএ, সাব রেজিস্ট্রার জয়পুরহাট সদর, জেলা পরিষদ, জেলা কারাগার, জয়পুরহাট থানা, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, বম্বু ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিলের রায় দিল হাইকোর্ট, ছাত্রীদের পক্ষে লড়ে হারলেন সুমন</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/742</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/742</guid>
<description><![CDATA[ হাইকোর্ট ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করে রায় দিয়েছেন। ব্যারিস্টার সুমন আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ]]></description>
<enclosure url="https://www.amaderbarta.net/media/imgAll/2023November/sumon-2405211420.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 May 2024 07:22:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>ব্যারিস্টার সুমন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিলের রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই রায়ের ফলে আদালতে হেরে গেছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, যিনি ১৬৯ শিক্ষার্থীর পক্ষে ছিলেন। তার প্রত্যাশা ছিল, রায় শিক্ষার্থীদের ভর্তির পক্ষে আসবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল থেকেই রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয় এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। পুরো সময় এজলাস কক্ষেই উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, "আমি মানুষ তো! আমি একা হেরে গেলে যতটা কষ্ট পাই, তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পাই যখন দেখি আমার সঙ্গে থাকা মানুষগুলো হেরে যায়। তবে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেব।"</p>
<p style="text-align: justify;">হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের একজন প্রতিনিধি ও বুয়েটের একজন আইটি এক্সপার্ট থাকবেন। এছাড়া প্রথম শ্রেণিতে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, ১৬৯ শিশুর ভর্তি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, এতে অভিভাবকরাও দায় এড়াতে পারেন না। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান এবং রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও আইনজীবী শামীম সরদার। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৯ মে প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিশুর ভর্তি কেন বাতিল হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষে আজকের দিন রায়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগে, গত ১৪ জানুয়ারি দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক নির্দিষ্ট বয়সের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তির অভিযোগে রিট দায়ের করেন। এরপর ২৩ জানুয়ারি আদালত রুল জারি করে ভর্তি বাতিলের আদেশ দেন এবং মাউশির নির্দেশনায় ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়। পরে ১৩৬ জন অভিভাবক আবারও রিট দায়ের করেন এবং ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল জারি করেন। অবশেষে, রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করা হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>