<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>এশিয়ান সময় &#45; : মতামত</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/rss/category/মতামত</link>
<description>এশিয়ান সময় &#45; : মতামত</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>স্বত্ব © ২০২৫ এশিয়ান সময়!</dc:rights>

<item>
<title>গণ&#45;জাগরণ এবং এক নতুন বাংলাদেশের জন্ম: রাজনীতির পুরোনো অধ্যায় কি তবে সমাপ্ত?</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/1821</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/1821</guid>
<description><![CDATA[ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নীরব বিপ্লব—BIGD জরিপে অর্ধেকের বেশি ভোটারের অনিশ্চয়তা ও নতুন রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাবনা ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202508/image_870x580_689d4ec099d20.webp" length="35276" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 14 Aug 2025 08:50:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাদ্দাম হোসেন</dc:creator>
<media:keywords>রাজনীতির পুরোনো অধ্যায় কি তবে সমাপ্ত, BIGD জরিপ, নতুন রাজনৈতিক শক্তি, bnp, ncp</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে আজ যে নীরবতা বিরাজ করছে, তা কোনো কৌশলগত শান্তি নয়, বরং এক গভীর গণহতাশার প্রতিফলন। এটি কোনো স্লোগান বা মিছিলে প্রকাশিত হয় না; বরং দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জমে থাকা অসন্তোষের স্ফুলিঙ্গ হিসেবে উপস্থিত।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"> দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের রাজনীতিতে যে বিভেদের দেয়াল দৃঢ় ছিল, তা ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রলয়ংকরী ঢেউয়ে প্রায় ভেঙে গেছে। এই গণঅভ্যুত্থান, যা শুরু হয়েছিল চাকরি কোটা সংস্কারের দাবিতে, দ্রুত একটি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত হয় এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক বছর পর, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে <a href="https://bigd.bracu.ac.bd/the-foundation-project_about/pulse-survey-july-2025/?utm_source=chatgpt.com">ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BIGD) </a>একটি জরিপ পরিচালনা করে, যা দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নাগরিকদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">জরিপে দেখা যায়, ৪৮.৫% ভোটার এখনও তাদের পছন্দের রাজনৈতিক দল নির্ধারণ করতে পারেননি, যা আগের জরিপের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এই অনিশ্চয়তা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট এবং সংস্কারের প্রতি অনিশ্চয়তার প্রতিফলন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এই পরিস্থিতিতে, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী তাদের অবস্থান পুনর্বিন্যাস করছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP), যা ছাত্রনেতাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের সমর্থক বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। অন্যদিকে, বিএনপি ও জামায়াত-এর সমর্থন কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, যদিও তারা এখনও নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে "জুলাই সনদ" গৃহীত হয়েছে, যা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য একটি রূপরেখা প্রদান করে। এই চুক্তির মাধ্যমে, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি নতুন দিশা নির্ধারণের প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">সর্বোপরি, বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এটি কেবল একটি নির্বাচনের পালাবদল নয়, বরং এটি একটি জাতির মনের পরিবর্তনের মুহূর্ত। এই নীরব বিপ্লবের ঢেউ কোন দিকে বইবে, তা হয়তো এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এটি নিশ্চিত যে, দেশের মানুষ আজ এক নতুন বাংলাদেশ চায়—একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়সঙ্গত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা পালাবদলের এক বছর পরও দেশের রাজনীতিতে এক গভীর অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে । তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর গণমানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনে ক্ষমতা গ্রহণ করেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">সাম্প্রতিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি টাইম ফ্রেম ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে এক বছর পর, <a href="https://bigd.bracu.ac.bd/the-foundation-project_about/pulse-survey-july-2025/?utm_source=chatgpt.com">BIGD</a>-এর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে—দেশের ৪৮.৫% ভোটার এখনও কোনো নির্দিষ্ট দলকে বেছে নিতে পারেননি এবং ১৪.৪% তাদের পছন্দের কথা জানাতে রাজি হননি। তাহলে কি দেশের অর্ধেকেরও বেশি ভোটার বর্তমানে প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার প্রতি কোনো আস্থা রাখতে পারছেন না?</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এই বিশাল জনসমুদ্র কেবল নীরব দর্শক নন, বরং পরিবর্তনের শক্তিশালী নিয়ামক। তারা পুরোনো স্লোগান বা ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বিশ্বাসী নন, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সুশাসনের মতো মৌলিক বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেন। এই নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনৈতিক অবস্থানই আগামী দিনের বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এই নীরব বিপ্লবের কারণ খুঁজতে গেলে প্রধান দলগুলোর কৌশলগত ভুল এবং মৌলিক দাবি পূরণে তাদের ব্যর্থতা সামনে আসে। নির্বাসিত চিকিৎসক, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক ড. <a href="https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%80_%E0%A6%AD%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF">পিনাকী ভট্টাচার্য</a> সম্প্রতি তার এক <a href="https://youtu.be/eEjfHr0Qa5g?si=VOa0t2y526HrGLTN">ইউটিউব ভিডিওতে</a> বিএনপির কৌশলগত দুর্বলতার বিশ্লেষণ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “<strong><em>যখন একটি দল তার মূল আদর্শ থেকে সরে এসে অন্য দলের ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে, তখন তা নিজস্ব ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। এটি এক ধরনের আত্মঘাতী কৌশল।”</em></strong> অন্যদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা ক্ষমতাসীন পক্ষও হয়তো এই নীরব অসন্তোষের গভীরতা পুরোপুরি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা যখন সুশাসন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলোর সঙ্গে জড়িত, তখন পুরোনো রাজনৈতিক কৌশল অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>তাহলে এই গভীর রাজনৈতিক শূন্যতা কি চিরকাল থাকবে? </strong>অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, একটি নতুন রাজনৈতিক ফ্রন্ট বা তৃতীয় শক্তির উত্থান হতে পারে। এই ফ্রন্টটি হবে ঐতিহ্যবাহী রাজনীতির বাইরে—যারা দেশের অনির্দিষ্ট ভোটারদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">তাদের মূল এজেন্ডা হতে পারে প্রচলিত রাজনীতির বাইরে—ভারতের আধিপত্যের অবসান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা, এবং “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ”-এর স্থায়ী অবসান। এই এজেন্ডাগুলো সরাসরি জনগণের মনের কথা বলে, যা প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যে প্রায়শই অনুপস্থিত। বিশ্লেষকদের মতে, <em>এই ফ্রন্ট দেশের বিভিন্ন মতাদর্শের গোষ্ঠী—যেমন হেফাজত ইসলাম, ইনকিলাব মঞ্চ এবং কিছু ইসলামী দল—এক ছাতার নিচে আনতে পারে, যা এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি করবে।</em></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এই সম্ভাব্য নতুন ফ্রন্টের নেতৃত্ব নিয়ে পিনাকী ভট্টাচার্য এর আলোচনায় দৈনিক আমার দেশ–এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি এই দায়িত্ব নেবেন কি না তা অনিশ্চিত। তাকে অনেকে “<strong>অনিচ্ছুক নেতা</strong>” (Reluctant Leader) হিসেবে বর্ণনা করছেন—যিনি ক্ষমতার জন্য নয়, বরং দেশের প্রয়োজনে এগিয়ে আসতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">ইতিহাসে দেখা যায়, জর্জ ওয়াশিংটন, জিন্নাহ বা সোহরাওয়ার্দীর মতো নেতারা প্রথমে নেতৃত্ব নিতে অনিচ্ছুক থাকলেও সময়ের প্রয়োজনে তাদের কাঁধে বিশাল দায়িত্ব এসে পড়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>মাহমুদুর রহমানের মতো একজন ব্যক্তিত্বের সম্ভাব্য উত্থান কি তবে বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য তেমনই এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের ইঙ্গিত দিচ্ছে? </strong>অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এই নতুন ফ্রন্ট যদি সফল হয়, তবে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন ধারার সূচনা হবে। এর ফলে কিছু পরিচিত রাজনীতিবিদ তাদের প্রভাব হারাতে পারেন এবং প্রকৃত জাতীয়তাবাদী নেতারা ক্ষমতায় আসতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এটি কেবল একটি নির্বাচনের পালাবদল নয়—বরং একটি জাতির মনের পরিবর্তনের মুহূর্ত। এই নীরব বিপ্লবের ঢেউ কোন দিকে বইবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এটি নিশ্চিত যে, দেশের মানুষ আজ এক নতুন বাংলাদেশ চায়—যেখানে রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হবে জনসেবা, কোনো দলের বিজয় নয়।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<ul>
<li style="text-align: justify;"><strong>এখন প্রশ্ন—এই নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট কার ঝুলিতে যাবে? </strong></li>
<li style="text-align: justify;"><strong>কোন নেতৃত্ব তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে?</strong></li>
<li style="text-align: justify;"><strong>বাংলাদেশের গণতন্ত্র কি নতুন কোনো পথে হাঁটবে, নাকি পুরোনো বৃত্তেই ঘুরপাক খাবে?</strong></li>
</ul>
<p style="text-align: justify;">উত্তর হয়তো ভবিষ্যতের গর্ভে লুকিয়ে আছে। তবে এই নীরবতা থেকে যে একটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম হতে চলেছে, তা চিন্তার দাবি রাখে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষার্থী কর্তৃক লাঞ্ছিত &amp;apos;শিক্ষক&amp;apos;! জনপ্রিয়তা হারাবে ছাত্র জনতা?</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/837</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/837</guid>
<description><![CDATA[ গত ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার হাতে পরাজিত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় স্বৈরাচার সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। দেশ ত্যাগের পর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বেশ অবনতি ঘটে। এর অবশ্য কারণও রয়েছে বেশ। মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে শেখ হাসিনার অনুগতরা প্রশাসনের বড় বড় পদগুলো দখল করে রাখা। তার পালিয়ে যাওয়ায় ওই কর্মকর্তারা এক প্রকার কোনঠাসা হয়ে পরলে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাদের দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে প্রশাসনে বড় রদবদল করলেও মাঠে তেমন সক্রিয় নয় প্রশাসন। এটি স্বচ্ছ কাঁচের মতই পরিস্কার। এর কারণ জেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের নানা ভূমিকাকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্টও করেছেন অনেকে। তার মধ্যে অন্যতম করে অনেকে উল্লেখ করছেন শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202408/image_870x580_66d158c62c123.webp" length="32776" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 30 Aug 2024 21:03:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>মোঃ সানাউল্লাহ: নিজস্ব প্রতিবেদক</dc:creator>
<media:keywords>কলাম</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে এটি নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছেন। সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসিদের পদত্যাগ করানোর পরপরই জেলা পর্যায়ে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জোর করে পদত্যাগ এই আলোচনার জন্ম দেয়। এ নিয়ে সমাজে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ ১৬ বছর একটা স্বৈর শাসন ব্যবস্থা চলছিল দেশে। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী পন্থীরা প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে নিয়োগও পেয়েছেন। প্রতিষ্ঠান চালিয়েছেন ইচ্ছেমত করে। অবশ্য তখন তো কোন উপায়ও ছিল না। কেউ কি কখনও কথা বলতে পেরেছে স্বৈর শাসকের বিরুদ্ধে? </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">ছাত্রজনতার আন্দোলনে বেশ ভূমিকা পালন করেছে সাধারন জনতা। কারণ আমরা বাঙালিরা পরাধীন থাকতে ইচ্ছুক নই। স্বৈর শাসক আমরা চাই না। সেজন্য ছাত্র জনতার সাথে এই আন্দোলনে সাধারণ জনতার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বলা হচ্ছে দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে। আমরা বাক স্বাধীনতা পেয়েছি। এখন মুক্তভাবে কথা বলতে পারি। আদৌ কি সেটা পারি বা পারব? এটা আমার প্রশ্ন থাকবে। একটা দেশের সরকারের সমালোচনা মুক্তভাবে করতে পারাটা স্বাধীনতার বড় অংশ। ছাত্রজনতা দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা করছে বিধায়ই তাদের নিয়ে সমালোচনা করাটা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">জেলাগুলোর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জোর করে পদত্যাগ করানো হচ্ছে। এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাসছে। এ নিয়ে সমালোচনাও চলছে বেশ। যেহেতু দেশে বর্তমানে ছাত্রজনতার রূপরেখায় একটি সরকার গঠিত হয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে সেহেতু তাদের অন্যায়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিচার হওয়া উচিৎ। জোর করে পদত্যাগ এটা কি আইনের মধ্যে পরে? তাহলে তো প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, স্বৈরাচারী স্বভাবটা আমাদের মধ্যে রয়েছে বেশ। </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">সরকার যেহেতু ছাত্রজনতার রূপরেখায় গঠিত হয়েছে সেহেতু এই সরকারের উপর তাদের আস্থাও রয়েছে। সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন করে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অথবা অন্যকোন শিক্ষককে জোর করে পদত্যাগ করানো আইনসম্মত হচ্ছে? সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা গত ২৫ আগষ্ট বলেছেন "শিক্ষায় পদত্যাগে বাধ্য করে অস্থিরতা সৃষ্টি করলে প্রশাসন ভেঙে পড়তে পারে"। অন্যদিকে ২৮ আগষ্ট জাতীয় ছাত্র পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক এলাহান কবীর বলেন "ফ্যাসিবাদের পতন হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক শিক্ষকদের পদত্যাগ করাচ্ছেন। বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক ৷ আমরা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দেশে আইন আদালত বিদ্যমান আছে। যদি কেউ অন্যায় করে থাকেন তাহলে আইন অনুযায়ী বিচার হবে। কিন্তু প্রভাব খাটিয়ে বেআইনিভাবে কাউকে পদত্যাগ করানো কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়।" এরপরও থামছে না শিক্ষার্থীদের অসৌজন্য মূলক আচরণ।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বরিশাল বিভাগের অন্যমত একটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'ঝালকাঠি এন. এস. কামিল মাদ্রাসা' সেখানেও শিক্ষকের পদত্যাগ নিয়ে ছাত্রদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মত ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১১ জন। অথচ ২০২৪ সনের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে এই প্রতিষ্ঠানটি। এই প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা এই প্রথম। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় বরগুনার অন্যতম আরেকটি মাদ্রাসা 'দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা' এর অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবীতে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গত ২৯ আগষ্ট আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস নেয়ার কথা বললেও মানতে চায় না শিক্ষার্থীরা। পরে বিকাল ৫টায় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বৈঠকে বসার আহবান করলে শান্ত হয় শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যক্ষকে একমাসের ছুটিতে পাঠানো হয় এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের গোপনে উস্কানি দিচ্ছে। ওই আসনের সাংসদ ও জেলা আ'লীগের সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু সবশেষ ৩১ জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত সভাপতি ছিলেন। তৎকালীন হাইকোর্টের একটি আদেশে এমপিরা সভাপতির দায়িত্ব ছাড়েন। সেই থেকে জেলা প্রশাসক সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। যেহেতু সভাপতিরা সরকারের এবং প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি সেহেতু অধ্যক্ষের অনিয়মের দায়ভার তারা এড়াতে পারে না। তাহলে শাস্তি কেন শুধু শিক্ষকের হবে? এখানে আমি শুধুমাত্র দুটি প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ দিয়েছি। নওগার একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কে জোর করে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করানোর সময় তাকে অসুস্থ হতে দেখেছি। এমনকি একটি প্রতিষ্ঠান প্রধান কে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করায় তিনি অঝোরে কেঁদেছেন এমন ভিডিও দেখেছি।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীরা অনেক ক্ষেত্রে দাবী করছেন, শিক্ষকের দূর্ণীতি। সেই কারণে তার পদত্যাগ চান। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় আসছে নিয়োগে আর্থিক লেনদেন। একটা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ চাইলেই কি সব করতে পারেন? অবশ্যই না। কারণ ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন ছাড়া অর্থ ছাড়করণ, বেতন বিল, নিয়োগ দেয়াসহ কোন কাজ করার ক্ষমতা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের থাকে না। সেক্ষেত্রে সভাপতির উপর দায়িত্বটা বেশ শক্তপোক্ত। ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেয়ায় সভাপতিরা যেন স্বস্তির নিশ্বাস নিচ্ছেন। এখন দায় পরেছে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ঘাড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি থাকে। যেখানে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অথবা ম্যানেজিং কমিটির মধ্য থেকে তাদের মনোনিত একজন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধান থাকেন সদস্য সচিব। এছাড়াও ডিজির প্রতিনিধি ছাড়াও আরও দুইজন সদস্য থাকেন। প্রশ্ন হচ্ছে টাকা কি তাহলে প্রতিষ্ঠান প্রধান একাই ভোগ করেন? নিয়োগে অনিয়ম সংক্রান্ত বহুবার সংবাদ করতে গিয়ে যতটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে বলতে পারি 'কখনই না'। নিয়োগ কমিটি এবং ম্যানেজিং কমিটি সবাই মিলেই ভাগাভাগি করেন এমনটা পরিস্কার। এসব বিষয় লিখিত অভিযোগ দিলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। যার বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছি বহুবার সংবাদকর্মী হিসেবে। সংবাদকর্মী হয়ে তথ্য তুলে ধরলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। যার কারণে এসব লাগামহীনভাবে চলেছে। যেহেতু স্বৈরাচার ক্ষমতায় বসাছিল সেহেতু যে বিচার করবে তার বিচার যেন তার কাছেই চেয়েছি এমনটা মনে হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">"শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড" ভাব সম্প্রসারণ পড়ছি। তবে আজ স্বৈরাচার ক্ষমতায় থাকা এবং ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়া থেকে এখন পর্যন্ত এই ভাব সম্প্রসারণ নিয়ে সন্দিহান অবস্থান আমার। শিক্ষককে পিতা-মাতার সাথে তুলনা করা হয়। আমরা সেভাবেই শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করি। তবে ১৬ বছর ধরে এক এক করে শিক্ষা ব্যবস্থা যেভাবে ধ্বংস হয়েছে তাতে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেমন ব্যবহার পাবে সেটা আজ ষ্পষ্ট। এই অবস্থায় শিক্ষক সমাজ লজ্জিত বলেও অনেক শিক্ষক গোপনে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">আমরা এমন কথা অনেকেই শুনেছি একটা সময় ছিল, শিক্ষক যেই রাস্তা দিয়ে যেত শিক্ষার্থী সেখানে দাড়িয়ে পরত। এই কথা দ্বারা বোঝানো হতো শিক্ষকের মর্যাদা কতটুকু। কিন্তু আজকের এই দিনে এসে শিক্ষকরা যেই পরিস্থিতিতে দাড়িয়েছে তাতে শিক্ষক পেশা থেকে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বাস্তবতা থেকে আমার অভিজ্ঞতার কথা না বললেই নয়। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভাপতিকে অনৈতিক সুবিধা না দিলে তিনি বিল কাগজে স্বাক্ষর করতেন না। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই স্বৈরাচারী সরকারের তালে তাল মিলিয়ে গেছেন। কারণ সভাপতি তো স্বৈরাচার সরকারের দলের লোক। এমন করে নির্যাতিত হয়েও আজ স্বাধীন বাংলাদেশ ২.০ তে দাড়িয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা দায়ী। অনেক শিক্ষক বর্তমানে দাবী করেন পূর্বের ভুলত্রুটির জন্য তাদের একাকে কেন দায়ী করে শিক্ষার্থীরা জোর করে পদত্যাগ করাচ্ছে? জোর করে পদত্যাগ আইন সম্মত?</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">জোর করে পদত্যাগ নিয়ে শিক্ষকসমাজ এবং ছাত্রসমাজের মধ্যে বেশ দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। এ নিয়ে দু-এক লাইন অনেকেই লিখছেন। তাদের লেখায় পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের জোর করে শিক্ষকদের পদত্যাগ করানোর ঘটনা খুব দ্রুতই জনপ্রিয়তা হারাতে পারে ছাত্র সমাজ। এ অবস্থায় দ্রুত সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে বলে আমি মনে করি। যেহেতু প্রতিবিপ্লবের শঙ্কা এখনও কাটেনি সেহেতু এখনি এ বিষয় গুরুত্ব দেয়া খুব জরুরি বলে মনে করছি।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বিঃদ্রঃ লেখনি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সমালোচনা এবং শিক্ষকদের আলোচনায় উঠে আসা মতামত থেকে লেখা হয়েছে। </p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">লেখকঃ মোঃ সানাউল্লাহ, গণমাধ্যমকর্মী।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিদ্যুৎ মিটারের দাম ও ভাড়ার যন্ত্রণাঃ সাধারণ জনগণের অভিযোগ</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/744</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/744</guid>
<description><![CDATA[ &quot;প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের দাম ১৬০০ টাকা হলেও বছরের পর বছর কেন মাসিক ভাড়া কাটা হচ্ছে? জানুন গ্রাহকদের অভিযোগ এবং বিদ্যুৎ সংস্থার অযৌক্তিক ডিমান্ড চার্জ নিয়ে বিস্তারিত।&quot; ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x580_664d4a0a01db6.webp" length="28586" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 May 2024 16:43:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: অন্য কারোর লেখা</dc:creator>
<media:keywords>বিদ্যুৎ মিটার ভাড়া</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে সাধারণ জনগণের ভোগান্তির আরেক নাম বিদ্যুৎ মিটার। বর্তমানে <a href="https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%A1_%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%A1%20%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0,%E0%A6%AC%E0%A6%BE%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%A1%20%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A5%A4%E0%A5%A4">প্রিপেইড মিটারের</a> দাম ধরা হয়েছে ১৬০০ টাকা। প্রতি মাসে ৪০ টাকা করে কেটে নিলে ৪০ মাসে সে টাকা পরিশোধ হওয়ার কথা। কিন্তু ১৬০০ টাকা পরিশোধ হওয়ার পরও বছরের পর বছর প্রতি মাসে ৪০ টাকা করে কেটে নেওয়া হচ্ছে কেন?</p>
<p></p>
<p>গ্রাম বাংলায় একটি প্রবাদ আছে, "কথা সত্য কিন্তু সাক্ষী দুর্বল, এ জন্য মামলা ডিসমিস।" নিজের টাকায় মিটার কিনে আবার মাসে মাসে তার ভাড়া দিতে হচ্ছে <a href="https://powercell.gov.bd/site/page/ef6f1729-449b-4ddf-9d05-05d022910b34/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9">বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকে</a>। তাই স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, হয় মিটার ভাড়া মওকুফ করুন, নয়তো আমাদের জমির ভাড়া দিন, কারণ জমির ওপরে খাম্বা বসিয়েই তো ব্যবসা করছেন। নগদ টাকায় মিটার কিনে নিজের ঘরের দেওয়ালে লাগিয়ে যদি ভাড়া দিতে হয়, তাহলে আমার জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি ফ্রি থাকবে তার কারণ কী?</p>
<p></p>
<p>গ্রাহক নিজের টাকায় <a href="https://pdb.chapainawabganj.gov.bd/bn/site/page/rZu3-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%A1-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9">বিদ্যুতের মিটার </a>ক্রয় করার পরও যদি প্রতি মাসে মিটার ভাড়া দিতে হয়, তাহলে বিদ্যুৎ সংস্থা আমাদের জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি পুতে লাইন টানিয়ে ফসলি জমিগুলো নষ্ট করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করার পরও আমাদের জমির ভাড়া দেবে না কেন?</p>
<p></p>
<p>বিদ্যুৎ বিলের নামে সরকার যে প্রতি মাসে কয়েক শ কোটি টাকা ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া এবং ভ্যাট আদায় করছে তা ভর্তুকির চেয়ে অনেক বেশি। কোনো বিদ্যুৎ খরচ না করলেও ১০০ টাকা বিদ্যুতের মূল্য, ৫০ টাকা ডিমান্ড চার্জ এবং ২০ টাকা মিটার ভাড়া দিতেই হবে। প্রিপেইড মিটারে ভাড়া ৪০ টাকা, মেইন মিটার ২৫০ টাকা, কারণটা কী?</p>
<p><img src="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x_664d4a6003384.webp" alt=""></p>
<p>একজন ক্ষুদ্র গ্রাহক যিনি ৫০ ইউনিট বা তার কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাঁকেও কমপক্ষে ৭০ অথবা ৯০ টাকা দিতেই হবে, যা একজন বড় ভোক্তার জন্যও একই। এটি হাস্যকর এবং দুঃখজনক। মিটার ভাড়া না হয় বোঝা গেল, কিন্তু ডিমান্ড চার্জ কী? কিসের ডিমান্ড এবং তা ধনী গরিব সবার জন্য সমান কেন?</p>
<p></p>
<p>যে ভোক্তা ১০০০ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করেন আর যে দরিদ্র লোকটি ১০ ইউনিট ব্যবহার করেন তাঁরা দুজনেই ৫০ টাকা দেবেন কোন যুক্তিতে? সঠিক বিল আদায় এবং অপচয় রোধ করার জন্য নিজেদের স্বার্থে পিডিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, আরইবি মিটার স্থাপন করেছে আর তার ভাড়া আদায় করছে গ্রাহকদের কাছ থেকে।</p>
<p></p>
<p>এ ধরনের অযৌক্তিক চার্জ পরিহার করে ইউনিট প্রতি মূল্য বাড়িয়ে <a href="https://pdb.chapainawabganj.gov.bd/bn/site/page/rZu3-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%A1-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9">সরকার বিদ্যুৎ খাতে</a> ভর্তুকি কমাতে পারে। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ভোক্তাদের বিদ্যুৎ বিল বাড়লেও মোট বিল আগের তুলনায় কমে যাবে, বাড়বে না।</p>
<p><a href="http://www.powerdivision.gov.bd/" target="_blank" rel="noopener">সরকারি ভর্তুকি</a> সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এখানে।</p>
<p><strong>আর্টিকেল সোর্স প্রথম আলো</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>