<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>এশিয়ান সময় &#45; : শিক্ষা</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/rss/category/শিক্ষা</link>
<description>এশিয়ান সময় &#45; : শিক্ষা</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>স্বত্ব © ২০২৫ এশিয়ান সময়!</dc:rights>

<item>
<title>প্রযুক্তির সাথে আমাদের শিক্ষা: একটি নতুন দিগন্তের সন্ধানে</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/1164</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/1164</guid>
<description><![CDATA[ বর্তমান যুগে প্রযুক্তি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের জীবনের। প্রতিদিনের কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক সম্পর্ক এবং শিক্ষা, সব ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির প্রভাব অপরিসীম। প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়ন আমাদেরকে নতুন কৌশল, ধারণা এবং সুযোগের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই, আমাদের সমাজের প্রতিটি ছেলেমেয়েকে প্রযুক্তির সাথে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এই নিবন্ধে, আমরা আলোচনা করবো কেন এবং কিভাবে প্রযুক্তি আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ এবং কিভাবে আমাদের যুবকদের প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হতে উৎসাহিত করা উচিত। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202508/image_870x580_6894435b6d514.webp" length="41628" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 07 Aug 2025 12:10:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: অন্য কারোর লেখা</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রযুক্তির অবদান ও প্রভাব</strong><br><br>প্রযুক্তি আমাদের জীবনে যে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, তা সত্যিই অভূতপূর্ব। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে, প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা নতুন ধারণা এবং তথ্যের সহজলভ্যতা পেয়েছি। অনলাইন শিক্ষার মাধ্যমে, যে কোন স্থান থেকে, যে কেউ শিক্ষার সুযোগ পেতে পারে। বিশ্বব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদেরকে এক নতুন দিগন্তের সন্ধান দিয়েছে। আজকের দিনে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা মুহূর্তের মধ্যে তথ্য লাভ করতে পারি, যা আমাদের চিন্তাভাবনা এবং শেখার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করেছে।<br><br><strong>প্রযুক্তি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা</strong><br><br>তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে, কেবলমাত্র মৌলিক শিক্ষা নেয়া যথেষ্ট নয়। আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে। প্রযুক্তিগত শিক্ষা যেমন কোডিং, ডেটা অ্যানালাইসিস, এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা উচিৎ। এই দক্ষতাগুলো তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে তারা কর্মশক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারবে।<br><br><strong>প্রযুক্তির সাথে যুক্ত থাকার সুবিধা</strong><br><br>প্রযুক্তির সাথে যুক্ত থাকার অনেক সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, প্রযুক্তি আমাদেরকে নতুন নতুন ধারণা এবং সমস্যা সমাধানের কৌশল শেখার সুযোগ দেয়। <a href="https://www.asiansomoy.com/330">দ্বিতীয়ত,</a> এটি আমাদের যোগাযোগের পদ্ধতিকে সহজতর করেছে। সামাজিক মিডিয়া, ইমেইল এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা সহজেই তথ্য ভাগ করতে পারি এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে পারি। তৃতীয়ত, প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা নতুন নতুন উদ্যোগ এবং স্টার্টআপ তৈরির সুযোগ পেতে পারি, যা আমাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।<br><br><strong>প্রযুক্তি শিক্ষার চ্যালেঞ্জ</strong><br><br>যদিও প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হওয়ার অনেক সুবিধা রয়েছে, তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। প্রথমত, প্রযুক্তির সাথে সঠিকভাবে যুক্ত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা অনেকের জন্য কঠিন হতে পারে। দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তির অতি ব্যবহারের ফলে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, মানসিক চাপ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, আমাদেরকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যেখানে প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।<br><br><strong>উপসংহার</strong><br><br>অতএব, আমাদেরকে শিখতে হবে প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তির সাথে সাথে আমাদেরকে এগোতে হবে। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদেরকে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে সফলতা অর্জন করতে পারে। প্রযুক্তি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যা আমাদের জীবনকে সহজ এবং উন্নত করতে পারে। অতএব, আমাদের উচিত প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং উন্নতির পথে এগিয়ে যাওয়া।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিবাহিত ও গর্ভবতী ছাত্রীদের হল ছাড়ার নির্দেশ</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/330</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/330</guid>
<description><![CDATA[ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আসন বরাদ্দ পাওয়া বিবাহিত ও গর্ভবতী হাত্রীদের হল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. দীপিকা রাণী সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202309/image_870x580_6512cb68806ee.jpg" length="94032" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 27 Sep 2023 03:45:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>মোঃ সানাউল্লাহ: নিজস্ব প্রতিবেদক</dc:creator>
<media:keywords>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হলের আবাসিক হওয়া, বসবাসের শর্তাবলি এবং আচরণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা ২০২১-র ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী বিবাহিত ও গর্ভবতী ছাত্রীরা হলে সিট পাবে না। তারা অতিদ্রুত হলের সিট ছেড়ে দেবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, হলের যেসব মেয়ে শিক্ষার্থীর মাস্টার্সের রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে তাদের অতিদ্রুত হল ছাড়তে হবে। কোনো মানোন্নয়ন (মাস্টার্স) পরীক্ষার্থী এমফিল ছাত্রী হলে থাকতে পারবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, আমরা যারা বিবাহিত তারাও তো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। তাহলে আমাদের কেন সিট ছাড়তে হবে। বাইরে থাকার চেয়ে হলে থাকতে পারলে আমরা সিকিউরড থাকি। অনেকের স্বামী ঢাকার বাইরে থাকেন। তাদের পরিবারও ঢাকায় থাকে না। তারা তো হলেই থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. দীপিকা রাণী সরকার বলেন, হলের বিধিমালার ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী কোনো বিবাহিত ছাত্রী হলে সিটের আবেদন কর‍তে পারবে না। আমরা বিধি <a href="https://www.asiansomoy.com/329">অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।</a></p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রী আছেন যাদের বাবা নাই, মা নাই। তারা হলের সিটের জন্য কান্নাকাটি করে। তাদের আসলেই হলে <a href="https://www.asiansomoy.com/328">সিট প্রয়োজন</a>। সিট পেলে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সুবিধার হবে। কিন্তু অনেক বিবাহিত মেয়েরা আছে যাদের পরিবারের সামর্থ্য আছে খরচ বহন করার। প্রয়োজনে তারা আমাদের দরখাস্ত দিক যে হল ছেড়ে বাসা নিতে এক মাস বা দুই মাসের সময় প্রয়োজন। আমরা সেটা কনসিডার করব<a href="https://www.kalbela.com/dainikshiksha/campus/26525">।</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ, ১১ হাজারের বেশি ফল পরিবর্তন</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/185</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/185</guid>
<description><![CDATA[ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করা ১১ হাজার ৩৬২ পরীক্ষার্থীর ফলে পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক হাজার ৮১১ জন শিক্ষার্থী, ফেল থেকে পাস করেছেন ২২১২ শিক্ষার্থী। ফেল থেকে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন। বাকি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রেডে ফল পরিবর্তন হয়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে বলে জানা গেছে। ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023March/dhakapost-20230305085859.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 29 Aug 2023 09:56:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করা ১১ হাজার ৩৬২ পরীক্ষার্থীর ফলে পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক হাজার ৮১১ জন শিক্ষার্থী, ফেল থেকে পাস করেছেন ২২১২ শিক্ষার্থী। ফেল থেকে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন। বাকি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রেডে ফল পরিবর্তন হয়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>সোমবার (২৮ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে ১০টি সাধারণ বোর্ডের প্রকাশিত পুনর্নিরীক্ষণের ফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে। বাকি আছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল, এটি এখনো বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।</p>
<p>বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তনের পেছনে পরীক্ষকদের গাফিলতি রয়েছে বলে মনে করছেন বোর্ড কর্মকর্তারা।</p>
<p>এ বিষয়ে আন্তঃবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আবুল বাশার বলেন, ‘সব বোর্ডের তথ্য আমার কাছে নেই। তবে যে তথ্য দেখা গেছে, এটি আসলেই উদ্বেগের বিষয়।’</p>
<p>পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে ফল পরিবর্তন স্বাভাবিক ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংখ্যাটি যদি নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজের বাইরে চলে যায় তবে পরীক্ষকদের তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত করি। সব বোর্ডের তথ্য সংগ্রহ করে যদি নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজের বাইরে যায় তবে চিহ্নিত পরীক্ষকদের বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী অভিযুক্ত বেশিরভাগ পরীক্ষককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। অপরাধের মাত্রা বেশি হলে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ করার জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।</p>
<p><strong><em>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুনর্নিরীক্ষণে নতুন করে কোনো উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয় না। শুধু উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের যোগ-বিয়োগগুলো দেখা হয়। এতেই এত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এটা শুধু পরীক্ষকদের গাফিলতির কারণেই হয়েছে।</em></strong></p>
<p>২০১৯ সালে টানা তিন বছর ধারাবাহিক গাফিলতির কারণে ১ হাজার ২৬ পরীক্ষককে শাস্তির আওতায় আনে শিক্ষাবোর্ড। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বোর্ডের আইন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযুক্ত বেশিরভাগ পরীক্ষককে কালো তালিকাভুক্ত করা, কাউকে সারা জীবনের জন্য কোনো বোর্ডের পরীক্ষক হতে না পারার মতো শাস্তি দেওয়া হয়। তবে যে সব পরীক্ষক খাতা মূল্যায়নে কেলেঙ্কারি বা ক্রাইমে যুক্ত হন, তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ এবং চাকরিচ্যুতির নজির রয়েছে।</p>
<p>পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন হওয়া উত্তরপত্রের চারটি দিক দেখা হয়। এগুলো হলো- উত্তরপত্রের সব প্রশ্নের সঠিকভাবে নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে তোলা হয়েছে কি না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট করা হয়েছে কি না?</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কোনো কোর্ট মার্শাল হয়নি; সৈয়দ আনোয়ার হোসেন</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/dhakauniversity</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/dhakauniversity</guid>
<description><![CDATA[ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কোনো কোর্ট মার্শাল হয়নি ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/desco-mourning-day-20230815215220.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Aug 2023 09:19:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: নিউজ ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর বঙ্গবন্ধু সমার্থক শব্দ। তবে দুঃখের বিষয়, আওয়ামী লীগ ১৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার পরও বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের একটি সুষ্ঠু তদন্ত কমিটি তৈরি হচ্ছে না। ইতিহাসের নগ্ন সত্য হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কোর্ট মার্শাল হয়নি। ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল যে, ‘শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের প্রয়োজন ছিল।’</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর বঙ্গবন্ধু সমার্থক শব্দ। তবে দুঃখের বিষয়, আওয়ামী লীগ ১৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার পরও বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের একটি সুষ্ঠু তদন্ত কমিটি তৈরি হচ্ছে না। ইতিহাসের নগ্ন সত্য হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডের কোনো কোর্ট মার্শাল হয়নি। ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল যে, ‘শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের প্রয়োজন ছিল।’</strong></p>
<p>মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) ডেসকোর ট্রেনিং ভবনে ডেসকো কর্তৃক শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমীর আলী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে আন্দোলন ও সংগ্রামে দেশের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতির পিতা মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ শতভাগ বিদ্যুতায়িত হয়েছে।’ তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ডেসকোকে শতভাগ গ্রাহকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য <a href="https://www.asiansomoy.com/48th-martyrdom-anniversary-celebrated-at-Narail">আহ্বান জানান।</a></p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতার কর্মজীবনের ওপর ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এর আগে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডেসকোর প্রধান কার্যালয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমীর আলীর নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। এরপর ডেসকোর মুজিব কর্নারে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।</p>
<p>এছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে ডেসকোর কর্মকর্তারা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>