<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>এশিয়ান সময় &#45; : স্বাস্থ্য</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/rss/category/স্বাস্থ্য</link>
<description>এশিয়ান সময় &#45; : স্বাস্থ্য</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>স্বত্ব © ২০২৫ এশিয়ান সময়!</dc:rights>

<item>
<title>বর্ষাকালের স্বাস্থ্য সচেতনতা: সুস্থ থাকার গুরুত্বপূর্ণ টিপস</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/798</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/798</guid>
<description><![CDATA[ বর্ষাকালে সুস্থ থাকার গুরুত্বপূর্ণ টিপস আবিষ্কার করুন। সাধারণ অসুস্থতা প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার উপায় শিখুন। আমাদের বিস্তৃত গাইডের সাথে একটি নিরাপদ ও সুস্থ বর্ষাকাল উপভোগ করুন। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202406/image_870x580_6663c40230000.webp" length="40866" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Jun 2024 18:11:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: অন্য কারোর লেখা</dc:creator>
<media:keywords>বর্ষাকালের স্বাস্থ্য সচেতনতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<h3 style="text-align: justify;">বর্ষাকালে সুস্থ থাকার গুরুত্ব</h3>
<p style="text-align: justify;">বর্ষাকাল আমাদের গ্রীষ্মের তীব্র তাপ থেকে মুক্তি দেয়। তবে, এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যাও নিয়ে আসে। এই সময়ে সুস্থ থাকতে সতর্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে বর্ষাকালের সাধারণ রোগগুলো থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সচেতনতা এবং সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে অসুস্থ হওয়ার<a href="https://www.asiansomoy.com/752"> ঝুঁকি অনেকটাই কমানো</a> যায়।</p>
<h3 style="text-align: justify;">সাধারণ বর্ষাকালীন রোগসমূহ</h3>
<p style="text-align: justify;">বর্ষাকালে কিছু নির্দিষ্ট রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে রয়েছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, এবং সাধারণ সর্দি। স্থির পানি মশার প্রজননক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে, যা ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ার কারণ হয়। দূষিত পানি টাইফয়েডের কারণ হয়। তাই, লক্ষণগুলো দ্রুত চিনতে পারা এবং চিকিৎসা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<h3 style="text-align: justify;">সুস্থ থাকার টিপস</h3>
<h4 style="text-align: justify;">হাইড্রেটেড থাকা</h4>
<p style="text-align: justify;">পরিষ্কার, ফোটানো পানি পান করা জরুরি। এটি পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। নিজের পানি বোতল সাথে নিয়ে চলুন যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। অপরিচিত জায়গার পানি এড়িয়ে চলুন।</p>
<h4 style="text-align: justify;">তাজা এবং পরিষ্কার খাবার খান</h4>
<p style="text-align: justify;">বর্ষাকালে তাজা এবং সঠিকভাবে রান্না করা খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফল এবং সবজি ভালোভাবে ধুয়ে নিন। রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলুন কারণ এটি দূষিত হতে পারে। বরং, ঘরের খাবার খাওয়াই উত্তম যাতে স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত হয়।</p>
<h4 style="text-align: justify;">রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন</h4>
<p style="text-align: justify;">ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করা সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক। আপনার খাদ্যতালিকায় প্রচুর ফল, সবজি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী খাবার যেমন আদা, রসুন, এবং হলুদ অন্তর্ভুক্ত করুন। নিয়মিত ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত ঘুমও ভালো ইমিউনিটির জন্য প্রয়োজনীয়।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি</h3>
<p style="text-align: justify;">ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। সাবান এবং পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন। সাবান না থাকলে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। নখ ছোট এবং পরিষ্কার রাখা জরুরি। অপরিষ্কার হাতে মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">মশার থেকে রক্ষা</h3>
<p style="text-align: justify;">বর্ষাকালে মশা একটি বড় সমস্যা। মশার প্রতিরোধক এবং জাল ব্যবহার করুন। আপনার আশেপাশে স্থির পানি না থাকানো নিশ্চিত করুন। দীর্ঘ হাতা জামা পরিধান করলে মশার কামড় কমানো যায়।</p>
<h3 style="text-align: justify;">পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন</h3>
<p style="text-align: justify;">পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে। সঠিকভাবে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করুন এবং পানি জমে না থাকতে দিন। আপনার বাড়ি এবং আশেপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার করুন যাতে পোকামাকড় এবং কীটপতঙ্গ দূরে থাকে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">নিয়মিত ব্যায়াম করুন</h3>
<p style="text-align: justify;">শারীরিক কার্যকলাপ আপনার ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। বর্ষাকালে বাড়িতে বসে ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। যোগব্যায়াম, স্ট্রেচিং, এবং হোম ওয়ার্কআউট হল সুস্থ এবং ফিট থাকার চমৎকার উপায়।</p>
<h3 style="text-align: justify;">তথ্যপ্রাপ্ত থাকুন</h3>
<p style="text-align: justify;">স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ নিয়ে আপডেট থাকা জরুরি। প্রাদুর্ভাব এবং প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে তথ্যের জন্য নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুসরণ করুন। সচেতনতা আপনাকে সময়মতো পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করতে পারে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">উপসংহার</h3>
<p style="text-align: justify;">বর্ষাকালে সুস্থ থাকতে সতর্কতা এবং সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে, ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে এবং পরিবেশ পরিষ্কার রেখে, আপনি বর্ষাকাল উপভোগ করতে পারবেন স্বাস্থ্যঝুঁকি ছাড়াই। এই সতর্কতাগুলো গুরুত্বসহকারে নিন যাতে <a href="https://khulnagazette.com">একটি নিরাপদ</a> এবং সুস্থ বর্ষাকাল কাটাতে পারেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানসিক সমস্যা: প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখ থেকে পুনরুদ্ধারের গল্প</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/752</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/752</guid>
<description><![CDATA[ প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখ থেকে মুক্তির বাস্তব জীবনের গল্প পড়ুন। জানুন কিভাবে মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসা সম্ভব এবং পুনরুদ্ধারের উপায়। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202405/image_870x580_664e2b9d9a992.webp" length="29046" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 May 2024 08:55:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাদ্দাম হোসেন: নিজস্ব প্রতিবেদক</dc:creator>
<media:keywords>মানসিক সমস্যা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span>মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের গল্প। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছদ্মনাম গোলাপ হোসেন (২৯ বছর), )এক ১.৫</span><span> বছর)</span><span> সন্তানের বাবা। স্ত্রী-ছেলে নিয়ে  সাতক্ষীরাতে বসবাস করেন। রাজ্ মিস্তিরি ও অনলাইন ডোমাইন হোস্টিং ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি<span style="color: #000000;">।</span> পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শেখেন এবং প্রাক্টিস করছেন। তবে মাঝেমধ্যেই তার শরীর খারাপ লাগে, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে, শরীরে ঘাম হয় ও দম বন্ধ হয়ে আসে। মনে হয় এখনই তিনি মারা যাচ্ছেন। </span><span style="color: #000000;">শুরুটা হয়েছিল একটি বিল্ডিং এর ছাদেকাজ করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থতা সেখান থেকে<span>।</span></span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>অসুস্থতা এভাবে আধা ঘণ্টার মতো থাকে</span><span>। পরে আবার ঠিক হয়ে যায়। তবে এ রকম হওয়ার একটা ভয় গোলাপ হোসেনের মনে সারাক্ষণই কাজ করে। অনুভূতিটা সহ্যের বাইরে। তিনি একদিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এই লক্ষণ নিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অনেকবার ভর্তি হন। ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তেমন কিছু অসুবিধা পাননি, এভাবে একই সমস্যায় পরপর ছয় মাসের ভিতরে কয়েকবার হসপিটালে ভর্তি  হন <span style="color: #000000;">। </span>হসপিটালে</span><span style="color: #000000;">র <span>মেডিসিন বিভাগের  প্রধান ডাক্তার  XYZ বলেন তিনি আর ঠিক হবেনা। তিনি মানসিক সমসসায় ভুগছে, এটি এক ধরনের মানসিক রোগ।</span></span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">ক্যান্সার<span>হলে তো মানুষ মারা যায় কিন্তু তিনি মরবেনা । শুধু এভাবে মানুষকে ও পরিবার কে জ্বালাবে । রোগটি মহামারি আকার ধারণ করেছে। </span>এবং পরিবারকে বলেন তাকে আর হাসপাতালে আনার প্রয়োজন নেই। <span>গোলাপ </span></span><span>হোসেন </span><span>বলেন তাহলে সুস্থ হওয়ার উপায় কি? ডাক্তার বলেন! এটা কখনো ভালো হবে না! গোলাপ </span><span>হোসেন </span><span>বলেন তাহলে কি হবে? ডাক্তার বলেন পরবর্তীতে এটি আরো বেশি হবে, </span><span style="color: #000000;">তবে <span>গোলাপ </span></span><span>হোসেন </span><span style="color: #000000;">বলেন</span><span> </span><span>মেডিসিন বিভাগের  প্রধান ডাক্তার </span><span style="color: #000000;"><span>তিনি কোন বিষয় কি ইঙ্গিত করে বলেছেন সেটি তার জানা নেই</span>।<span> তবে তিনি মনে করেন ডাক্তার এই কথাটি বলেছে কারণ যেহেতু এটি একটি মনের রোগ তাই মনকে শক্ত করতে পারলেই এই রোগ ভালো হবে। তাই তিনি যাতে মনকে শক্ত করেন যে কারণেই ডাক্তার এই কথা বলেছিলেন সেদিন।</span></span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;"><span>তবে  মানসিক সমস্যা থেকে অবশ্যই! ফিরে আসা যায়। </span>যদি সঠিক একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাহায্য নেয়া যায়<span>।</span> </span><span>গোলাপ হোসেন </span><span style="color: #000000;">আরো বলেন যেমন আমি আজ সম্পূর্ণ সুস্থ, এমনকি এই আর্টিকেলটি লিখছি প্রায় চার বছর, এখন আমি এই রোগ সংক্রান্ত কোনো ঔষধ খাই না, বা কোন ডাক্তারের কাছে যাই না বিগত চার বছর<span>।</span> দীর্ঘ দুই আড়াই বছরের মর্মান্তিক রোগ থেকে ফিরে আসার পিছনে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আছে । এবং </span><span style="color: #000000;">যে ডাক্তার আমাকে সাহায্য করেছেন তিনি হচ্ছেন (</span><span>মনোরোগ বিশেষজ্ঞ </span><span>ডাক্তার নাজমুল হাসান (MBBS, FCPS (Psychiatry)) and </span><span style="color: #000000;">ডাক্তার রশিদ (MBBS) (মেডিসিন)</span></p>
<h2 style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">মানসিক সমস্যা, প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখে ভুক্তভোগীর মতামত<span>। </span></span></h2>
<p style="text-align: justify;"><b><span style="color: #000000;"> </span><span>গোলাপ হোসেন</span><span> </span></b><span style="color: #000000;"><b>বলেন:</b> </span><span><span style="color: #000000;">তবে ফ্যামিলির সাপোর্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যখন আমি এই রোগে আক্রান্ত হয়েছি তখন আমার ফ্যামিলির সাপোর্ট ছিল অনেক স্ট্রং। </span><span style="color: #000000;">বিশেষ করে আমার স্ত্রী  (</span><span style="color: #000000;">XYZ) </span><span style="color: #000000;">পিতা-মাতা শশুর শাশুড়ি ভাই বোন</span> ও সকল আত্মীয়-স্বজন তারা খুবই কেয়ার করতো আমাকে। </span><span style="color: #000000;">আমি এখন মনে করি<b>,</b></span><span> </span><span><span style="color: #000000;">মানসিক রোগ কোন রোগী নয় এটি থেকে মুক্ত হওয়া যায়, এটি স্থায়ীভাবে ভালো হয়ে যায়। </span></span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>আমি ৪০ থেকে ৫০ টা ছোট বড় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েছি কমবেশি ওষুধ খেয়েছি এবং ৬০ থেকে ৭০ টা কবিরাজ দেখিয়েছে কমবেশি ওষুধ খেয়েছি ও দোয়া তাবিজ মাদুলি নিয়েছি কাজ হয়নি।  সঠিক রোগের জন্য সঠিক ডাক্তার প্রয়োজন। আর অবশ্যই সে ডাক্তারকে হতে হবে মানুষরূপী ডাক্তার কষাই নামের ডাক্তার না। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>৪০ থেকে ৫০ টা ছোট বড় ডাক্তার </span><span style="color: #000000;">এর মধ্যে অনেক এমবিবিএস ডাক্তার রয়েছে যারা এই ধরনের রোগী যখন তাদের পাশে যায় তারা রোগীকে বসতে বলার আগে প্রেসক্রিপশন করে দেয়। কিছু শুনতেও চায়না। কারণ এই ধরণের রোগির বেশ কিছুটা পাগলের মত হয়ে থাকে। ইমনকে এই <span>কষাই </span>শ্রেণীর ডাক্তাররা এই ধরনের রোগীদের কে মানুষ বলে মূল্যায়ন করে না। আমি তার বাস্তব উদাহরণ। এই  ডাক্তাররা একদিনে ৪০ থেকে  ২০০ ও রোগী দেখে থাকেন। এক সপ্তা দুই সপ্তাহ আগে সিরিয়াল দিতে হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">এবং যখন তাদের চেম্বারে  যাওয়া হয়, দুই থেকে তিন মিনিটে রোগীদের কে বিদায় করে দেন। এবং মোটা অংকের টাকা নেন। কারণ তারা এখন নামে কাটে। কারণ তাদের নাম ডাক হয়ে গেছে এখন। হতে পারে পূর্বে একসময় তারা হয়তো ভালো মানের ডাক্তার ছিল। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">শুধু তাই না তাদের ব্যবসা এখন পরীক্ষা নির্ভর রোগী যখন তাদের পাশে যায় বেশ কিছু টেস্ট দেয় এবং সেখান থেকে তারা কমিশন নেয় রোগীর কাছে পুরাতন টেস্ট রিপোর্ট থাকলেও সেগুলো তারা দেখে না।  তারা তাদের ইচ্ছামতো পছন্দের জায়গায় পরীক্ষা করতে রোগীকে পাঠিয়ে দেয়, সেখানে গেলেও মোটা অংকের পরীক্ষা ফি দিতে হয়। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">সেই তুলনায় ছোটখাটো ডাক্তার গুলো গ্রাম্য ডাক্তার গুলো অনেক ভাল, তারা মোটা অংকের টাকা চায় না এবং রোগীর কথাগুলো ভালভাবে শুনে এবং টেস্ট রিপোর্টের নাম রোগীকে হয়রানি করাইন। সাম্প্রতিক পুরাতন কোন টেস্ট বা পরীক্ষার রিপোর্ট থাকলে সেগুলো দেখে তারা পর্যবেক্ষণ করে। যাইহোক, ডাক্তারের ব্যবহার যদি ভাল হয় তাহলে আপনি বুঝবেন যে এই ডাক্তার  ভালো এবং ব্যবহার যদি খারাপ হয় ঠিকমতো আপনার সঙ্গে কথা না বলে, আপনার সমস্যাগুলো ঠিকমত না শুনে, তাহলে বুঝবেন এর কাছ থেকে আপনি সুস্থতা আশা করতে পারেন না।এটা আমার </span><span>মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের</span><span style="color: #000000;"> অভিজ্ঞতা। আমি কেমন ডাক্তার পেয়েছি যাদের চেম্বারে ঢোকার সাথে সাথে আমি তার সামনে বসার আগে সে পিসক্রিপশন লিখে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি বাইরে এসে তার সহকর্মীর কাছে বললে তিনি বলেছে তিনি মানুষ দেখে বুঝতে পারেন তার কি হয়েছে? আর এ কারণেই তিনি নামকরা ডাক্তার।</span></p>
<h2 style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">মানসিক সমস্যা, প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখের </span><span style="color: #000000;"><b>রোগীদের কি হয়?</b><br></span></h2>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">এই সকল রোগীরা </span><span>ভয়ে কারো বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারেন না, কারণ সেখানে অসুস্থ হলে তো আর ভালো ডাক্তার পাওয়া যাবে না। কারণ তার পছন্দের কিছু ডাক্তার থাকে যারা গ্রাম্য ডাক্তার অথবা তিনি যার কাছ থেকে রেগুলার ট্রিটমেন্ট নিয়ে থাকেন তাদেরকে বেশি বিশ্বাস করেন এবং পছন্দ করেন। এ ছাড়া এই লম্বা রাস্তাটা কীভাবে পার হবেন? অসুখ করলে চিকিৎসা কে করবে? বাড়ি যাওয়া তো দূরের কথা, তার বাড়ির থেকে মাত্র দু-এক মাইল দূরে যাওয়ার সাহস পর্যন্ত তিনি পান না। এর বাইরে যেতে হলে সঙ্গে তার বিশ্বাস যোগ্য এবং তিনি নির্ভরযোগ্য মনে করেন এমন লোক লাগে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>আর এ কারণেই ছদ্মনাম গোলাপ হোসেনের রাজ্ মিস্তিরি কাজ ও ব্যবসার মাল কিনতে অন্যদের ওপর নির্ভর করতে হত। এমন কি নিজের একটা প্রয়জনীয় জিনিস কিন্ত কারো না কারো উপর নির্ভর করতে হত। ব্যবসা চালাতে হলে যে প্রচুর যোগাযোগ রক্ষা করতে হয় তাও তিনি মোবাইলে মোবাইলে সারতে। স্বশরীরে যেতে পারতাম না।</span></p>
<div style="text-align: justify;"><span>কিছু</span><span> দিন আগে গরমের </span><span>ছাদে মিস্ত্রি কাজ করতে করতে </span><span>তার খুব খারাপ লাগল। মাথা ঘুরতে লাগল। মনে হলো এক্ষুনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাবেন। দম বন্ধ হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল এখনই মরে যাবেন। কিছুক্ষণ পর একটু ভালো লাগায় কোনোমতে বাসায় ফায়ার আসেন । </span><span>এরপর একজন গ্রাম্য ডাক্তার কে দেখান তিনি বলেন তার শারীরিক দুর্বলতার কথা তাকে এই মুহূর্তে স্যালাইন পুশ করা উচিত এবং ভিটামিন খাওয়া উচিত।তিনি বললেন এই সমস্যাগুলি সাধারণত ভিটামিন বি এর অভাবে হয়ে থাকে। তিনি সে ডাক্তারের মতো চিকিৎসা হলেন এবং চিকিৎসা হওয়ার পর মোটামুটি এক মাসের মতো ভালো থাকলো।</span></div>
<h2>অসুস্থতা শোনার এক মাস পর</h2>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">পরবর্তী মাসে পর পর<span> বেশ কয়েকবার এমনটা হলো। এখন ভয়ে আর বাহিরে যান না নিজের কাজ ও করেন না সংসার চালানো অনেক কঠিন । সামান্য </span>কিছু<span> টাকা জোগাড় করে  চিকিৎসা নিয়েছেন। মনের মধ্যে টেনশন। অসুস্থতার আগে তিনি অনলাইন ফ্রীলান্সিং এর কাজ শিখেছিলেন, পাশাপাশি তিনি রেগুলার গুগলের বিভিন্ন ব্লক আর্টিকেল পড়তেন।। হঠাৎ একদিন একটি আর্টিকেল পান। এবং সে<strong> আর্টিকেল থেকে তিনি জানতে পারেন তার প্যানিক ডিসঅর্ডার নামের একটি রোগ হয়েছে ।</strong> </span></span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>প্যানিক ডিসঅর্ডার হলো একধরনের মানসিক অসুখ, যাতে ব্যক্তি প্রচণ্ড আতঙ্কের শিকার হন এবং এটা ১০-১৫ মিনিটের মতো স্থায়ী হওয়ার পর আবার ধীরে ধীরে চলে যায়। অনেকে এ ধরনের অ্যাটাকের পর ৩০ মিনিটের মতো শারীরিক দুর্বলতার কথাও বলেন। প্যানিক অ্যাটাকের হার হলো শতকরা ৩ থেকে ৪ ভাগ।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের মধ্যে এই রোগ দুই থেকে তিনগুণ বেশি দেখা যায়। প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণ হলো- এখনই মারা যাচ্ছি এমন অনুভূতি (এর সঙ্গে থাকে তীব্র আতঙ্ক), বুক ধড়ফড় করা, অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন হওয়া, বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি, ঘাম, শরীর ঠাণ্ডা বা গরম হয়ে আসা, শরীর কাঁপা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, বমি ভাব বা পেটের অসুবিধা, শরীর অসুস্থ লাগা, মাথা হালকা হয়ে আসা,গল গলা শুকিয়ে আসা, অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি হওয়া, শরীর অবশ হয়ে আসা, শরীর ঝিন ঝিন করা এবং বিভিন্ন রকম ভয়ের চিন্তা ইত্যাদি।</span></p>
<h2 style="text-align: left;">প্যানিক রোগী <span>যা </span>এড়িয়ে চলেন।</h2>
<p style="text-align: left;"><strong>প্যানিকের রোগী সচরাচর কতগুলো পরিস্থিতি ও কাজকে বিপজ্জনক মনে করে এড়িয়ে চলেন। যেমন :</strong></p>
<h3>যেমন : </h3>
<p style="text-align: justify;"><span>তারা একা একা বাড়ি থেকে দূরে কোথাও যেতে চান না। আবার বাড়িতে একা একা থাকতে পারেন না যখনই বাড়িতে একা একা থাকেন তখনই তিনি অসুস্থ হয়ে যান| ভিড়,  ট্রাফিক জ্যাম, শপিং মল, লিফ্ট ব্যবহার, ট্রেন, বাস, লঞ্চ, প্লেন ইত্যাদি ব্যবহার, বড় সমাবেশ, বড় মসজিদের সামনের সারিতে নামাজ পড়া, ডাক্তার নেই এ ধরনের দূরবর্তী স্থানে ভ্রমণ, অপরিচিত মানুষের সাথে দীর্ঘক্ষণ গল্প করা, কোন মজলিসে বসে থাকতে না পারা, কোন খেলাধুলায় মন না বসা বা না করতে পারা, কোন এক জায়গায় গেলে অস্বস্তি মনে হওয়া যেমন চুল কাটাতে ব্যাংকে বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়ে ইত্যাদি! এই সকল বিষয়গুলো যখনই সামনে আসে তখন এড়িয়ে চলে যাওয়া</span></p>
<h2 style="text-align: left;">কেন হয় <span style="color: #000000;">প্যানিক ডিজঅর্ডার </span>?</h2>
<p style="text-align: justify;"><span>এ রোগের কারণ বিষয়ে নানা রকম মত প্রচলিত আছে। মস্তিষ্কে রাসায়নিক উপাদানের ভারসাম্যহীনতার কারণে এই অসুখ হয় বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। আরেক মত অনুযায়ী, আমাদের সবারই একটি সংবেদনশীল, জন্মগত, শ্বাসরোধবিষয়ক বিপদসংকেত ব্যবস্থা রয়েছে। যদি এই প্রক্রিয়া খুব সহজেই এবং প্রায়ই চালু হয়ে যায় তবে এটি স্বতঃস্ফূর্ত প্যানিক তৈরি করতে পারে। হঠাৎ যে কোনো সময়ে, যে কোনো পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্যানিক হতে পারে। যেমন, রাতে ঘুমের মধ্যেও এমনটা ঘটতে পারে। অন্য একটি মতে, বৈবাহিক বা ব্যক্তিগত জীবনে দ্বন্দ্ব বা সমস্যা, নিজের বা ঘনিষ্ঠজনের বড় কোনো অসুখ, ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু, শিশুর জন্ম, গর্ভপাত, আর্থিক সমস্যা, আর্থিক লোকসান, কর্মস্থলে চাপ, স্বাস্থ্য সমস্যা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, নেশার প্রতিক্রিয়ায় প্যানিক শুরু হতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #000000;">তবে </span><span>ছদ্মনাম গোলাপ হোসেন (২৯ বছর) </span><span>তার কি কারনে ধরনের রোগ হয়েছিল তা জানা যায়নি তবে তিনি মনে করেন ব্যক্তিগত কাজের চাপ রাত জাগা ফ্যামিলি থেকে কোন একটি ভয় রাখা শারীরিক অসুস্থতা অতিরিক্ত কাজের চাপ, সঠিক টাইমে খাওয়া-দাওয়া না করা, অথবা হতে পারে বংশগত তবে বংশগত এটি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না! তবে তিনি একটি বিষয়ে কিছুটা ধারিনা করেন তা হচ্ছে তিনি পিত মাতা ও ভাই বোন থেকে অনেক দিন বিচ্ছিন্ন ছিল এবং কাজের পাশাপাশি তিনি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সিক্ত এবং এই ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শেখা কে তার ফ্যামিলি মেনে নিতে চাইত না তাই তিনি ভয়ের  ভিতরে থেকেও গোপনে এই কাজ শিখতো। এবং অনেক রাট জেগে কাজ করতো আবার দিনের বেলায় তার কর্মস্থলে ৮/১০ ঘন্টা ডিউটি করতো যা অনেক পরিশ্রম ছিল। যাই হোক</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>তবে কোনো নির্দিষ্ট কিছু ছাড়াও এটি শুরু হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা যায় যে,</span><span>ভয়ের সময় অধিক দ্রুত শ্বাস নেওয়ার ফলে প্যানিক হতে পারে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>প্যানিক ডিসঅর্ডারের রোগীদের চিন্তার ধরনে অনেক পরিবর্তন আসে, যা তাদের অসুখের টিকে থাকার কারণ হিসেবে কাজ করে। </span><span></span></p>
<h2 style="text-align: left;"><span>কতগুলো চিন্তা নিচে তুলে ধরা হলো :</span></h2>
<ul style="text-align: justify;">
<li><span>‘আমি এখনই মারা যাব।’</span></li>
<li><span>আমি অসুস্থ হয়ে পড়ছি।’</span></li>
<li><span>আমার একটি মারাত্মক ও ব্যতিক্রমী অসুখ হয়েছে।’</span></li>
<li><span>আমার বড় কোনো অসুখ হয়েছে। ডাক্তাররা ধরতে পারছেন না।’</span></li>
<li><span>বুকে ব্যথার অর্থ আমার এখনই হার্ট ফেইলিওর বা ব্রেইন স্ট্রোক হবে।’</span></li>
<li><span>আমার টিউমার, পাইলস, ক্যানসার, হার্ট, কিডনি, ব্রেইনের বা শরীরের অন্য কোনো স্থানে গুরুতর অসুখ হয়েছে।’</span></li>
<li><span>ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আমার মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেছে বা হবে।’</span></li>
<li><span>রাস্তায় জ্ঞান হারালে আমাকে কেউ সাহায্য করবে না। আমি বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পেতে পেতে নির্মমভাবে মারা যাব।’</span></li>
<li><span>আমি আর ভালো হব না।’</span></li>
<li><span>আমার হার্ট কিডনি সব পুচে গেছে!</span></li>
<li><span>দুনিয়ার যত ধরনের রোগ আছে যখন সেই ধরনের রোগের সাথে মিশে যায় এমন কোনো ইঙ্গিত তিনি দেখতে পান তখনই তিনি ভেবে ওঠেন মনে হয় আমাকে সেই রোগী গ্রাস করেছে! যা এই মুহূর্তে আমার মৃত্যুর কারণ হতে পারে! </span></li>
</ul>
<p style="text-align: justify;"><span>ছদ্মনাম গোলাপ হোসেন (29 বছর)</span><span> </span><span>তিনি বলেন মজার ব্যাপার হলো হঠাৎ আমি অসুস্থ আমার প্রেসার লো হয়ে গেছে এখনই আমি মারা যাব এমত অবস্থায় একজন ডাক্তারকে</span><span>ফোন করা হলো তিনি আমার বাসায় আসলেন আসার সাথে সাথে আমি ভালো হয়ে গেলাম ডাক্তার কে কোন ট্রিটমেন্ট করার প্রয়োজন হয়নি এমনকি ডাক্তার কেবলমাত্র এসেছে এখনো চেয়ারে বসে নি! যাই হোক তিনি আরো বলেন! এই অসুস্থ সময়টায় তিনি চোখ বন্ধ করে থাকতেন এবং অনেক কিছু ভাবটেন তবে তিনি মনে করেন এই সময় যদি কোন রোগী চোখ বন্ধ না করে থাকে তাহলে সেটি তার জন্য ভালো হবে কারণ চোখ বন্ধ করে থাকার কারণে বিভিন্ন চিন্তা মস্তিষ্কের ভিতরে আসে এবং যার ফলে তিনি আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন</span></p>
<h2 style="text-align: left;"><span style="color: #000000;">প্যানিক ডিজঅর্ডার </span>রোগীরা সারাক্ষণ:</h2>
<p style="text-align: justify;"><span>নিজের অসুখ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। অসুখের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কি না বা বেড়ে গেল কি না, তা নিশ্চিত করতে তারা সারাক্ষণই শরীরের দিকে কড়া নজরদারি চালিয়ে যান। কেউ কেউ হার্ট বিট, ব্লাডপ্রেসার এগুলো নিয়মিত মাপেন। অনেকে এমনকি মিনিটে কতবার শ্বাস নিচ্ছেন তাও পরিমাপ করেন। প্যানিকের রোগীরা শরীরের সামান্য খারাপ অবস্থা দেখলেই তার ভুল ব্যাখ্যা করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ফলে লক্ষণ বেড়ে প্যানিক অ্যাটাক হয়। এমন কি দিনে ঠিক টাইমে বাথরুম ও পেশাব না হয় সেটিও চিন্তার একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়!</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>প্যানিকের রোগীরা অনেক ধরনের জায়গা, কাজ ও পরিস্থিতি এড়িয়ে চলেন যা পরিণামে তাদের অসুখকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। যেমন : তাঁরা একা বাইরে যেতে চান না, ট্রাফিক জ্যামে থাকতে পারেন না বা পাবলিক বাস ব্যবহার করতে চান না। এ ছাড়া এঁরা শারীরিক পরিশ্রমও এড়িয়ে যান। কখনো যদি বাধ্য হয়ে বাইরে যেতে হয় তখন অনেকে সঙ্গে কাউকে নিয়ে বের হন। শুধু তাই না এমন কাউকে নিয়ে বের হন তিনি তার বিশ্বস্ত এবং তিনি মনে করেন তিনি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে সেই ব্যক্তি সামলাতে পারবে!</span></p>
<h2 style="text-align: left;">প্যানিকের যে লক্ষণগুলো তৈরি হয়:</h2>
<p style="text-align: justify;"><span>প্যানিকের যে লক্ষণগুলো তৈরি হয়,</span><span> </span><span>তার শারীরবৃত্তীয় ব্যাখ্যা আছে। আমরা যখন বিপন্ন হই, তখন নার্ভাস সিস্টেমের অটোনমিক সিস্টেমের অংশ সিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম আমাদের দেহের গ্লান্ড এবং অঙ্গগুলোকে বিপদ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>ফলে স্নায়ু, মাংসপেশি ও মস্তিষ্কে আরো রক্ত আসে। অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ ও হজম প্রক্রিয়ায় রক্ত সরবরাহ কমে যায়। এভাবে থাইরয়েড ও এড্রিনালিন গ্লান্ড কার্যকরী হয়ে আক্রমণ অথবা পালানোর জন্য অতিরিক্ত শক্তি সরবরাহ করে। সারাক্ষণ সিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম কার্যকরী থাকা দেহের জন্য ভালো নয়। যখন বিপদ কেটে যায় বা চাপ কমে যায়, তখন শরীরের ‘শাট অফ’ প্রক্রিয়া চালু হয়। এ ক্ষেত্রে স্নায়ুতন্ত্রের অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমের অংশ প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হয়। ফলে আর এড্রিনালিন ক্ষরিত হয় না। হৃদস্পন্দন ইত্যাদি কমে যায়। আমরা আরাম অনুভব করি।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>উল্লেখ্য, সিম্পেথিটিক ও প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম একসঙ্গে কাজ করতে পারে না। একটি সক্রিয় থাকলে অন্যটি অবশ্যই নিষ্ক্রিয় থাকবে। দুটোর যথাযথ ক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা চলি। দীর্ঘমেয়াদি চাপের ফলে মস্তিষ্কের রিসেপ্টরের ক্ষতি হয়। ফলে শাট অফ বা বন্ধ করার প্রক্রিয়া কাজ করে না। অর্থাৎ প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হচ্ছে না। ফলে এড্রিনালিন রিলিজ হলেও এর নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া কাজ করে না। ফলে হঠাৎ অনেক এড্রিনালিন ক্ষরিত হয় ও প্যানিক ডিসঅর্ডারের লক্ষণ তৈরি হয়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>যখন আমরা মানসিক চাপে থাকি, তখন ছোটখাটো বিষয়কে ভুল ব্যাখ্যা করে আমরা বিপজ্জনক বলে মনে করি। ফলে এটিকে বিপদ হিসেবে ধরে নিয়ে আমাদের দেহ সেভাবে প্রতিক্রিয়া করে। কিন্তু আমাদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে সৃষ্ট তথাকথিত বিপদ আর সহসা কাটে না (আসলে বিপদ তো নেই)। কিন্তু দেহ এটিকে বিপদ হিসেবে ধরে নেয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে সিম্পেথিটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় থাকে এবং আমরা অসুস্থ বোধ করি।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, প্যানিক ডিসঅর্ডারের রোগী ঘন ঘন শ্বাস ফেলেন। এর ফলে কতগুলো লক্ষণ তৈরি হতে পারে, যেমন : মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা করা, কানে ধাতব শব্দের মতো শব্দ শোনা, শারীরিক দুর্বলতা, মূর্ছা যাওয়ার অনুভূতি, তীব্র যন্ত্রণার অনুভূতি, অসাড়তা ইত্যাদি। ফলে রোগী ভয় পেয়ে যেতে পারেন যা লক্ষণগুলোকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। </span><span>চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে না চললে এবং ঠিকমতো ওষুধ না খেলেও রোগ টিকে থাকে। </span></p>
<h2 style="text-align: left;"><span style="color: #000000;">প্যানিক ডিজঅর্ডার হলে  </span>করণীয় : </h2>
<p style="text-align: justify;">•<span><strong>চিন্তার ধরন বদলে ফেলুন: </strong> অধিক ইতিবাচক বা অধিক নেতিবাচক চিন্তায় কোনো লাভ নেই। ভারসাম্যপূর্ণ চিন্তা করুন। অগ্রিম চিন্তা করে কোনো লাভ নেই। যদি তবুও চিন্তাগুলো আসতেই থাকে তবে এটিকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত  হয়ে যেতে পারেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> </span><span><strong>নিজেকে নিজে সাহস দিন:</strong> মনে মনে বলুন, ‘এ রকম আগেও বহুবার হয়েছে। আমার কোনো ক্ষতি হয়নি। খারাপ অবশ্য লেগেছে। আবার পরে ঠিকও হয়ে গেছে। এবারও আশা করা যায় সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় ঠিক হয়ে যাবে।’ জন্ম নিয়েছি মরে যেতে হবে দুদিন আগে অথবা পরে চিন্তার কোন কারণ নেই!</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> </span><b>এতে মৃত্যু হয় না:</b><span> অতীতে আপনার বহুবার এ ধরনের অ্যাটাক হয়েছে। আবার ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে কেটেও গেছে। এবারও কেটে যাবে। মনে রাখবেন, ডাক্তার বলেছে যে, আপনার শরীরে কোনো অসুবিধা নেই। কাজেই ভয় নেই। কারণ একজন এমবিবিএস ডাক্তার তিনি অনেক জ্ঞানের অধিকারী তিনি অনেক মানুষকে অসুস্থতা থেকে সুস্থতা করতে অবদান রাখেন!</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> </span><span><strong>ডাক্তার ও টেস্টের ফলাফলের ওপর আস্থা রাখুন:</strong> নিয়মিত ওষুধ খান। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া <a href="https://www.asiansomoy.com/744">ওষুধ খাবেন না</a>, বন্ধ করবেন না বা ওষুধের মাত্রার মধ্যেও কোনো পরিবর্তন আনবেন না।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<strong> </strong><span><strong>সান্ত্বনা নেবেন না: </strong>অপ্রয়োজনে কারো কাছেই সান্ত্বনা নেবেন না, দৌড়ে হাসপাতালেও যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সহ্য করুন। একটু পরে এমনিতেই লক্ষণ কমে যাবে।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span><strong> অসুখের লক্ষণ শুরু হলে চিন্তা না কর:</strong>  </span><span>অসুখের লক্ষণ শুরু হলে ওই বিষয়ে চিন্তা না করে অন্য কোনো বিষয়ে চিন্তা করবেন। কারো সঙ্গে গল্পগুজব করতে পারেন (তবে অসুখের বিষয়ে কথা বলা চলবে না)। আশপাশ থেকে হেঁটে আসতে পারেন। টেলিফোনে কারো সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আশপাশের মানুষ বা দৃশ্যের দিকে মন দিতে পারেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;">• <strong>ব্যায়াম করা:</strong> <span>ধীরে ধীরে পেট ভরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন। এভাবে চালিয়ে যান। বেশ কয়েক মিনিট করলে আপনার লক্ষণ কিছুটা কমে আসতে পারে। </span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> </span><span>যখন প্যানিক অ্যাটাক হয় তখন কাগজের ঠোঙার মধ্যে শ্বাস ফেলে আবার সেখান থেকেই শ্বাস নেবেন। এভাবে কয়েক মিনিট চালিয়ে গেলে আপনার লক্ষণগুলো কমতে শুরু করতে পারে। ঠোঙাটি এমনভাবে নাক ও মুখের সঙ্গে আটকে নেবেন, যাতে বাইরে থেকে অতিরিক্ত বাতাস ঠোঙার মধ্যে না আসতে পারে। তবে এ কাজে কখনোই প্লাস্টিক ব্যবহার করবেন না।</span><span></span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> <strong>একা ঘুরতে বের হওয়া:</strong> </span><span>একা বের হবেন। সঙ্গে লোক নিয়ে বের হওয়ার কোনো দরকার নেই। পকেটে জরুরি সময়ে খাবার জন্য ওষুধ, খাদ্য বা পানীয় রাখারও কোনো মানে হয় না। মাত্রাতিরিক্ত টাকা-পয়সা রাখার বা অপ্রয়োজনে গাড়ি ভাড়া করে কোথাও যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ভয়ের কারণে একটা গাড়ি ভাড়া কেন করবেন? যদি স্বাভাবিকভাবে বাসে যাতায়াত করার কথা থাকে তবে বাসই ব্যবহার করুন।</span></p>
<h2 style="text-align: justify;"><span>প্যানিক ডিসঅর্ডার থেকে বাঁচার জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা:</span></h2>
<p style="text-align: justify;"><span>প্যানিক ডিসঅর্ডার থেকে বাঁচার জন্য অতিরিক্ত কোনো সতর্কতা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই সতর্কতা ছাড়াই আপনি দিব্যি পারবেন।</span><span>এগুলো নিলে বরং আপনার আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। ভাববেন এগুলোর কারণেই এ যাত্রায় বাঁচলেন। আসলে এমনিতেও কিছু হতো না। আপনার ভয়গুলো মোকাবিলা করুন। যে কাজে ভয় পান সেগুলো করুন। একবারে না পারলে প্রথমে অল্প ভয়ের কাজ করে, এরপর ধীরে ধীরে আরো বেশি ভয়ের কাজগুলো করে সবশেষে চরম ভয়ের কাজগুলো অভ্যাস করতে পারেন। এতে আস্তে আস্তে ভয় কেটে গিয়ে স্বাভাবিক হয়ে যাবে ব্যাপারগুলো।  </span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> <strong>শারীরিক প্রক্রিয়াগুলো: </strong></span><span>দেহের শারীরিক প্রক্রিয়াগুলো স্বাভাবিক আছে কি না তা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত না হওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলোর দিকে একেবারেই লক্ষ করবেন না। শুধু শুধু বারবার রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন ইত্যাদি মাপার প্রয়োজন নেই।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> <strong>শরীরে ক্লান্তি:</strong> </span><span>বিভিন্ন কারণেই শরীরে ক্লান্তি বা কিছুটা খারাপ লাগতে পারে। যেমন :  <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE#:~:text=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF,%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%9D%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%95%E0%A6%BF%20%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A5%A4" target="_blank" rel="noopener">নিদ্রাহীনতা</a>, হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে, জোরে শব্দ হলে, অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত শীত পড়লে, বদ্ধ জায়গায় অনেক্ষণ থাকলে, পরিশ্রম করলে, যৌন মিলন করলে কিছুটা ক্লান্তি বা খারাপ লাগতে পারে। এই খারাপ লাগাটাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করবেন না। এই ভুল ব্যাখ্যা করার কারণে আপনার শরিলটা আরো একটু খারাপ হয়ে যায় এরপর ঠিকই আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েন!</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> <strong>মৃত্যুকে ভয়:</strong> </span><span>মৃত্যুকে ভয় পাবেন না। মৃত্যুকে সহজভাবে নিতে চেষ্টা করতে পারেন। কেউ চিরজীবী হয় না।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> <strong>প্রশিক্ষণ:</strong> </span><span>ব্যস্ত থাকার জন্য কোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। আপনি আর বসে বসে মরে গেলাম টাইপের ভয়ের এবং নেতিবাচক চিন্তা করার অবসর পাবেন না। এ জন্য বলা হয়েছে, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। ব্যস্ততা আপনাকে প্যানিক অ্যাটাক থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করবে। </span><span>দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন,  নিয়মিত হাঁটতে পারেন ।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span><strong> ব্যায়াম:</strong> </span><span>রিল্যাক্সেশন নামে একধরনের <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE">ব্যায়ামের অভ্যাস</a> করলে আপনার লক্ষণ কমতে সাহায্য হতে পারে।</span></p>
<p style="text-align: justify;">•<span> <strong>ফিটফাট থাকা:</strong> </span><span>পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ফিটফাট থাকুন। রোগী রোগী ভাব করে ঘুরলে মন ছোট হয়ে যায়।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>ওপরের বুদ্ধিগুলো প্রয়োগ করেও যদি আপনার সমস্যা সমাধান না হয় তবে আপনার বিশেষজ্ঞ সাহায্যের প্রয়োজন। ‘কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি’ নামের একধরনের সাইকোথেরাপি প্যানিক ডিসঅর্ডার চিকিৎসায় বিশেষ কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া প্যানিকের চিকিৎসায় ডাক্তাররা বেশ কিছু ওষুধও ফলপ্রসূভাবে প্রয়োগ করে থাকেন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><b>উপদেশ ও মন্তব্যঃ </b>মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নাজমুল হাসান (<a href="http://dgme.teletalk.com.bd/mbbs/index.php">MBBS</a>, <a href="https://bcps.edu.bd/">FCPS</a> (Psychiatry) and <span style="color: #000000;">ডাক্তার রশিদ (<a href="http://dgme.teletalk.com.bd/mbbs/index.php">MBBS</a>) মেডিসিন </span>ও  লেখক: এম গোলাপ হোসেন (মানসিক সমস্যা থেকে ফিরে আসার বাস্তব জীবনের <span style="color: #000000;">অভিজ্ঞতা)</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আষাঢ় মাসে স্বাস্থ্য সচেতনতা: বৃষ্টির মৌসুমে সুস্থ থাকার ৭টি উপায়</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/735</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/735</guid>
<description><![CDATA[ আষাঢ় মাসের বৃষ্টির মৌসুমে সুস্থ থাকার উপায় জানুন। পানির বিশুদ্ধতা, খাদ্য নিরাপত্তা, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আরও অনেক টিপস। সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন এই বর্ষায়। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202406/image_870x580_66710f4b93ce0.webp" length="22244" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 May 2024 04:42:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: নিউজ ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>স্বাস্থ্য সচেতনতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<h2>আষাঢ় মাসে স্বাস্থ্য সচেতনতা: বৃষ্টির মৌসুমে সুস্থ থাকার উপায় </h2>
<p>আষাঢ় মাস বৃষ্টি এবং সবুজের সমারোহ নিয়ে আসে, কিন্তু সাথে নিয়ে আসে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যাও। এই সময়ে বায়ু ও পানি দ্বারা সংক্রামিত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। তাই আষাঢ় মাসে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। এই ব্লগ পোস্টে আমরা আষাঢ় মাসে স্বাস্থ্য সচেতন থাকার কিছু কার্যকর উপায় নিয়ে আলোচনা করব।</p>
<h4>১. পানির বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করুন</h4>
<p>আষাঢ় মাসে পানিবাহিত রোগ যেমন <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC#:~:text=%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%20%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%A4,%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%82%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A5%A4">ডায়রিয়া</a>, কলেরা, টাইফয়েড ইত্যাদির ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই পানির বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিল্টার করা পানি পান করুন, এবং পানি ফুটিয়ে পান করাও নিরাপদ।</p>
<h4>২. খাদ্য নিরাপত্তা</h4>
<p>বৃষ্টির মৌসুমে খাদ্যদ্রব্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। রাস্তার খাবার পরিহার করুন, কারণ এগুলো প্রায়ই দূষিত হয়। তাজা এবং সঠিকভাবে রান্না করা খাবার খান। সবজি এবং ফল ভালোভাবে ধুয়ে নিন।</p>
<h4>৩. মশার কামড় থেকে সুরক্ষা</h4>
<p>আষাঢ় মাসে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পায়, যা ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়া মতো রোগের কারণ হতে পারে। মশারি ব্যবহার করুন, ঘরে মশা প্রবেশ বন্ধ করতে মশারোধী জাল ব্যবহার করুন। মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।</p>
<h4>৪. বৃষ্টিতে ভেজা থেকে বিরত থাকুন</h4>
<p>বৃষ্টিতে ভেজা থেকে ঠান্ডা লাগা এবং জ্বরের সম্ভাবনা বাড়ে। তাই ভিজে গেলে দ্রুত শুকিয়ে নিন এবং গরম পানিতে গোসল করুন। বাইরের কাপড় শুকিয়ে নিতে ভুলবেন না।</p>
<h4>৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি</h4>
<p>এই সময়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখাটা জরুরি। সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবু, কমলা, আমলকি ইত্যাদি খেতে পারেন।</p>
<h4>৬. স্বাস্থ্যকর পরিবেশ</h4>
<p>পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখুন। জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেলুন, কারণ এগুলো মশার বংশবিস্তার করতে সহায়ক হয়। ঘরের চারপাশ পরিষ্কার রাখুন এবং বর্জ্য সঠিকভাবে নিষ্পত্তি করুন।</p>
<h4>৭. চিকিৎসকের পরামর্শ নিন</h4>
<p>যেকোনো অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা শুরু করলে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব।</p>
<h4>উপসংহার</h4>
<p>আষাঢ় মাসের সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF_%E0%A6%B8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE">স্বাস্থ্য সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি</a>। উপরের টিপসগুলো মেনে চললে আপনি এই মৌসুমে সুস্থ ও নিরাপদ থাকতে পারবেন। বৃষ্টি উপভোগ করুন, কিন্তু স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।</p>
<ul>
<li><a href="https://www.asiansomoy.com/798">বর্ষাকালের স্বাস্থ্য সচেতনতা: সুস্থ থাকার গুরুত্বপূর্ণ</a></li>
<li><a href="https://www.asiansomoy.com/752">মানসিক সমস্যা: প্যানিক ডিজঅর্ডার বা আতঙ্কের অসুখ</a></li>
</ul>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেঙ্গু পরীক্ষায় বাড়তি ফি, রাজধানীতে হাসপাতাল বন্ধ</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/321</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/321</guid>
<description><![CDATA[ অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার প্রথম দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ডেঙ্গু পরীক্ষায় বাড়তি ফি আদায় ও লাইসেন্স নবায়ন না করায় বেসরকারি হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202309/image_870x580_65085d54e39be.jpg" length="73103" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 Sep 2023 05:55:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: নিউজ ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোর উপপরিচালক ডা. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের অভিযান চলমান। আমরা কিছুক্ষণ আগেই বেশকিছু অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটারা জেনারেল হাসপাতালকে বন্ধ ঘোষণা করেছি। আমরা এই কার্যক্রম আরও কিছুদিন <a href="https://www.asiansomoy.com/320">পরিচালনা করব।</a></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, গতকাল রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক জরুরি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে ফের অভিযানে নামার ঘোষণা দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. <a href="https://www.asiansomoy.com/319">আহমেদুল কবীর।</a></p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জানান, সোমবার থেকে সারা দেশে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমরা গত বছর যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেই, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং অনিয়ম করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছি। ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে ফের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের তথ্য পাচ্ছি। যারা এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আমরা আবারও ব্যবস্থা নেব। আগামীকাল থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফের অভিযানে নামবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একযোগে সারা দেশে এ অভিযান পরিচালিত হবে<a href="https://www.kalbela.com/health/others/24554">।</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেঙ্গুতে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩০৮</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/217</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/217</guid>
<description><![CDATA[ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও দুই হাজার ৩০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202308/image_870x580_64f0951180bd2.jpg" length="126113" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 Sep 2023 04:56:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>এম.মোরছালিন : স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords>ডেঙ্গু আক্রান্ত</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দুই হাজার ৩০৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮৭৫ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) এক হাজার ৪৩৩ জন <a href="https://www.asiansomoy.com/109">ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন</a>।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট দুই হাজার ৩৫৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৯৫০ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে এক হাজার ৪০৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬ জন ঢাকা সিটিতে এবং একজন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতিত) মারা যান।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/10">এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট</a> ৫৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৪৩৮ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ১৫৫ জন মারা যান।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ ২৩ হাজার ৮০৮ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৫৮ হাজার ২১ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৬৫ হাজার ৭৮৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ১৪ হাজার ৮৩৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৫৩ হাজার ৭৬৩ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল ৬১ হাজার ৭১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে সারা দেশে মোট আট হাজার ৩৭৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকা সিটিতে তিন হাজার ৮১৭ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) চার হাজার ৫৬১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯৩ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং <a href="https://www.asiansomoy.com/11">ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান</a>।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৭ মিনিটেই ক্যানসারের চিকিৎসা, আসছে টিকাও</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/203</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/203</guid>
<description><![CDATA[ ক্রমেই উন্নত হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে করোনা মহামারি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও স্বল্প সময়ে এর টিকা আবিষ্কার হয়েছে। ফলে এখন আর করোনা মহামারি আকারে নেই। এবার ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়ে আশার বাণী দিয়েছে স্বাস্থ্যবিজ্ঞান। ]]></description>
<enclosure url="https://www.asiansomoy.com/uploads/images/202308/image_870x580_64f04d4727b6a.jpg" length="83207" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 31 Aug 2023 23:50:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: নিউজ ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>ক্যান্সার চিকিৎসা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ইংল্যান্ডে ক্যানসারের টিকা আবিষ্কার হয়েছে। এ টিকা দিয়ে মাত্র ৭ মিনিটে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ (এনএইচএস) দ্রুত টিকার ব্যবহার শুরু করবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ক্যানসারের এ টিকার অনুমোদন দিয়েছে ইংল্যান্ডের মেডিসিন অ্যান্ড হেলথ কেয়ার রেগুলেটরি অথোরিটি এজেন্সি (এমএইচআরএ)। যার ফলে এ টিকা শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে। সংস্থাটির আশা, এ টিকা বাজারে আসলে বছরে শত শত রোগীর চিকিৎসা সম্ভব হবে এবং ক্যানসারের চিকিৎসার সময় তিন চতুর্থাংশ কমিয়ে আনা যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">চিকিৎসাবিজ্ঞানে বর্তমানে অ্যাটেজোলিজুমাব নামে একটি অ্যান্টিবডি আইভি ড্রিপ বা শিরার মধ্য দিয়ে রোগীর দেহে দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালনা করে ক্যানসারের চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু এ টিকা বাজারে আসলে মাত্র ৭ মিনিটেই ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। অ্যাটেজোলিজুমাব বাজারে টিসেন্ট্রিক নামেও পরিচিত। এটি ফুসফুস, স্তন, লিভার এবং মূত্রথলির ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ইংল্যান্ডে প্রতিবছর ৩ হাজার ৬০০ রোগীকে এই প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় অ্যাটেজোলিজুমাব গ্রহণের জন্য ৩০ মিনিটে থেকে এক ঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু এ টিকার জন্য সময় লাগবে মাত্র ৭ মিনিট। ফলে রোগীদের সময় আর কষ্ট সাশ্রয় হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যেসব রোগীদের অ্যাটেজোলিজুমাবের পাশাপাশি কেমোথেরাপিও লাগে, তারা এ টিকার সুবিধা এখনই পাবেন না। তাদের শিরার মাধ্যমেই দীর্ঘ সময় ধরে এই <a href="https://www.asiansomoy.com/201">ওষুধ নিতে হবে।</a> এই ওষুধটি সাধারণত চেকপয়েন্ট ইনহিবিটর বা একটি প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে থাকে; যা দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কার্যকরী করে ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করে সেগুলোকে মেরে ফেলতে সহায়তা করে।</p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">এনএইচএস-এর ক্যানসার বিভাগের পরিচালক পিটার জনসন বলেছেন, ‘এই পদক্ষেপটি তুলে ধরেছে যে কীভাবে উদ্ভাবনী স্বাস্থ্য পরিষেবা রোগীদের জন্য সবচেয়ে উন্নত ক্যানসারের<a href="https://www.asiansomoy.com/202"> চিকিৎসা নিশ্চিত করছে।’</a></p>
<p style="text-align: justify;"></p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বিশ্বে প্রথমবারের মতো এই টিকা প্রবর্তনের অর্থ হলো শত শত রোগীকে হাসপাতালে আরও কম সময় ব্যয় করতে হবে। এই টিকা ক্যানসার চিকিৎসায় গুণগত পার্থক্য তৈরি করবে<a href="https://www.kalbela.com/health/treatment/19572">।</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু পৌনে ৫০০ ছাড়ালো</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/102</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/102</guid>
<description><![CDATA[ এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু পৌনে ৫০০ ছাড়ালো ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/dd-20230820182509.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Aug 2023 06:39:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>এম.মোরছালিন : স্টাফ রিপোর্টার</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে সারাদেশে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৬ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ১৩৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।</strong></p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/">আরও পড়ুন&gt;&gt; </a>ডেঙ্গুর গন্তব্য কোথায় গিয়ে থামবে, স্পষ্ট নয়: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর</p>
<p style="text-align: justify;">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই হাজার ১৩৪ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৭৮৫ জন। ঢাকার বাইরের ১ হাজার ৩৪৯ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে ৬ জন ঢাকার এবং ৪ জন ঢাকার বাইরের বাসিন্দা।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/93">আরও পড়ুন&gt;&gt; </a>কোন কোন উপসর্গ দেখলেই ডেঙ্গু টেস্ট করা জরুরি?</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯ হাজার ৯৯৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৮ হাজার ৪৫৬ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৫১ হাজার ৫৩৮ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯‌১ হাজার ৯৩৬ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৪ হাজার ৫৬৭ জন এবং ঢাকার বাইরের ৪৭ হাজার ৩৬৯ জন।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.asiansomoy.com/101">আরও পড়ুন&gt;&gt; </a>ডেঙ্গুতে মৃত্যু সাড়ে ৪০০ ছাড়ালো</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে আলোচ্য বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে <a href="https://www.asiansomoy.com/99">ডেঙ্গু সংক্রমণ </a>তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী <a href="https://www.jagonews24.com/health/news/878140">ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল</a>।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওজন কমাতে চাইলে ঘুমের আগে যে কাজগুলো করবেন</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/84</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/84</guid>
<description><![CDATA[ ওজন কমানো সহজ নয়। লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য অনেককিছু করতে হয়। স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং ব্যায়ামের রুটিন সম্পর্কে বেশিরভাগই সচেতন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে আমাদের রাতের কিছু কাজ ওজন কমানোর এই যাত্রায় সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে? বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মেটাবলিজম স্বাভাবিকভাবেই ধীর হয়ে যায়। ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/weight-1-20230819123946.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 19 Aug 2023 22:30:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>মোঃ সানাউল্লাহ: নিজস্ব প্রতিবেদক</dc:creator>
<media:keywords>স্বাস্থ্য</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">তাই রাতের বেলা আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই কাজগুলো সম্পর্কে-</p>
<p style="text-align: justify;"><span>রাতের বেলা অনেকেরই চা কিংবা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকে। আপনারও যদি একই অভ্যাস থাকে তবে তা বন্ধ করতে হবে। এর বদলে পেপারমিন্ট চা পান করুন। কারণ পেপারমিন্ট আমাদের মেটাবলিজম বাড়াতে এবং চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর আগে এই চা খেলে তা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী হতে পারে। অপরদিকে চা কিংবা কফি বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ এগুলো আমাদের ঘুমের চক্রকে ব্যাহত করে। ফলে বিপাক প্রক্রিয়ায়ও তার প্রভাব পড়ে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span>একটি জনপ্রিয় প্রবাদ আছে, ‘রাজার মতো সকালের নাস্তা, রাজপুত্রের মতো দুপুরের খাবার এবং দরিদ্রের মতো রাতের খাবার খাও।’ কথাটি সম্পূর্ণ সত্যি, কারণ দিনের সবচেয়ে হালকা খাবার হওয়া উচিত রাতের খাবার। রাতে উচ্চ প্রক্রিয়াজাত বা চিনিযুক্ত খাবার খেলে তা আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং ওজন বাড়াতে পারে। আপনার রাতের খাবার যতটা সম্ভব হালকা রাখুন। রাতের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত খাবার রাখার চেষ্টা করুন।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span><strong>দেরি করে রাতের খাবার খাবেন না</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">শুধু পরিমাণ নয়,<span> </span><a href="https://www.asiansomoy.com/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87">রাতের খাবার কখন খাচ্ছেন</a><span> </span>তার ওপরও নির্ভর করছে আপনার ওজন কতটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আপনি যদি ঘুমে আগে আগে খান তাহলে তা কেবল আপনার ঘুমই নষ্ট করবে না, সেইসঙ্গে প্রভাব ফেলবে হজমক্ষমতার ওপরেও। তাই ঘুমের আগে যদি হালকা ধরনের খাবারও খান, তা বাড়তি মেদের কারণ হতে পারে। রাতের খাবার ও ঘুমের মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত। সন্ধ্যর পরপরই ডিনার করে নিতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন</strong></p>
<p style="text-align: justify;">রাতে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করলে তা আপনার ঘুম নষ্ট করতে পারে। এটি আমাদের শরীরকে চর্বি পোড়ানোর কাজে বাধা দিতে পারে, এমনকী কমাতে পারে বিপাক ক্ষমতাও। মাঝরাতে হালকা নাস্তা খেলে সেটিও এমন বড় কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না, যেটা অ্যালকোহল পানের ফলে হতে পারে। তাই এটি এড়িয়ে চলুন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>স্বাস্থ্যকর নাস্তা খান</strong></p>
<p style="text-align: justify;">মাঝরাতে অনেকেরই ক্ষুধা লাগে। যদিও রাতে দেরিতে খাওয়া এড়াতে পারলে ভালো। তবে ক্ষুধা পেলে তো আর না খেয়ে থাকা যাবে না। এক্ষেত্রে চিপসের বদলে একমুঠো <a href="https://www.asiansomoy.com/internationalindia">বাদাম খেতে পারেন।</a> রাতের বেলা আমরা যা করি এবং যা খাই, তার প্রভাব কিন্তু পরদিন পড়ে। তাই ওজন কমানোসহ সার্বিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য রাতের বেলা এই নিয়মগুলো মেনে চলুন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রেসক্রিপশনে কমদামী ওষুধ লেখার নির্দেশে ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/internationalindia</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/internationalindia</guid>
<description><![CDATA[ প্রেসক্রিপশনে কমদামী ওষুধ লেখার নির্দেশে ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/generic-medicine-20230816140109.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Aug 2023 23:42:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: নিউজ ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সাধারণ মানুষের চিকিৎসার খরচ কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। দেশটির সরকার চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছে— তারা রোগীদের প্রেসক্রিপশনে কোনো ব্র্যান্ডের ওষুধ লিখতে পারবেন না। এর বদলে জেনেরিক ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিতে হবে। তবে এমন নির্দেশনায় ক্ষুব্ধ হয়েছে চিকিৎসকদের বৃহৎ সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)।</strong></p>
<p>নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকার চায় ব্র্যান্ডের ওষুধের বদলে চিকিৎকসরা জেনেরিক ওষুধ সেবন করতে বলবেন। আর ব্র্যান্ডের তুলনায় জেনেরিক ওষুধের দাম ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ কম।</p>
<p>উদাহরণস্বরূপ যখন চিকিৎসকরা জ্বরের রোগীকে চিকিৎসা দেবেন তখন তাদের ওষুধ হিসেবে প্যারাসিটামল দিতে হবে, প্যানাডোল অথবা ক্যালপোলের মতো ওষুধ দেওয়া যাবে না। তবে চিকিৎসকরা এমন নির্দেশনাকে ‘লাইন ছাড়া ট্রেন চলার’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাদের মতে, জেনেরিক ওষুধের গুণমানের কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না।</p>
<p>আইএমএ এ ব্যাপারে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গুণমান নিশ্চয়তা খুবই দুর্বল। বাস্তবিকভাবে জেনেরিক ওষুধের গুণমানের কোনো নিশ্চয়তা নেই, আর গুণমান সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে রোগীকে এসব ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিলে, এটি তাদের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।’</p>
<p>আইএমএ-এর সাবেক সভাপতি ডাক্তার জনরোজ অস্টিন জয়লাল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ‘জেনেরিক ওষুধের মাত্র ২ শতাংশের গুণমান পরীক্ষা করা হয়েছে। এ কারণে আমি আমার জীবনে কখনো জেনেরিক <a href="https://www.asiansomoy.com/%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B">ওষুধ সেবন করিনি।’</a></p>
<p>জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে সবার উপরে রয়েছে। দেশটির সরকার ভারতকে ‘ফার্মেসি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামে পরিচিত করাতে চাচ্ছে। ২০২২ সালে ভারত ১৭ বিলিয়ন ইউরোর জেনেরিক ওষুধ রপ্তানি করেছে, যা বিশ্বের মোট জেনেরিক ওষুধ রপ্তানির ২০ শতাংশ। তবে এসব ওষুধের বেশিরভাগই রপ্তানি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  অনুমোদনপ্রাপ্ত গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠান। তবে ভারতে হাজার হাজার ওষুধ উৎপাদনকারী রয়েছে। যেগুলোর ওষুধের গুণমান পরীক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতা নেই।</p>
<p>এছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যেও জেনেরিক ওষুধ নিয়ে খুব বেশি একটা বিশ্বাস নেই। তাদের একজন দিল্লির একটি বইয়ের প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক অক্ষতা জৈন। তিনি তার অভিজ্ঞতায় জেনেছেন, কিছু জেনেরিক ওষুধ অনেক সময় ঠিকমতো কাজ করে না। তিনি বলেছেন, এক বছর আগে তার এক কর্মী হাইপারটেনসন রোগে আক্রান্ত হন। তখন তাকে চিকিৎসক ওষুধ দেন। যেহেতু তাকে সারাজীবন এ ওষুধ খেয়ে যেতে হবে তাই তিনি তার ওই কর্মীকে জেনেরিক ওষুধ খাওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু ওই ওষুধে কোনোমতেই তার প্রেশার ঠিক হচ্ছিল না। তখন ভয় পেয়ে ওই কর্মীকে আরেক চিকিৎসকের কাছে পাঠান। তখন ওই চিকিৎসক তাকে তেলমা নামের একটি ব্র্যান্ডের ওষুধ দেন। ওই ওষুধ খাওয়ার এক সপ্তাহ পরই <a href="https://www.facebook.com/asiansomoy">তার প্রেশার ঠিক হয়ে যায়।</a></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলেও দিনে জেগে থাকবেন যেভাবে</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/11</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/11</guid>
<description><![CDATA[ আগের রাতে ভালো ঘুম হয়নি, ঘুমে চোখ ঢুলুঢুলু, তারপরও জেগে থেকে কাজ করতে হচ্ছে? এমন পরিস্থিতিতে কিন্তু আমরা অনেকেই পড়ি। বিশেষ করে ছুটির দিনের পরের দিনে। কিংবা রাতের ভ্রমণ শেষে পরদিন সকালে অফিস বা ক্লাসে যেতে হলে তো এমন অভিজ্ঞতা অবধারিত। চোখে ঘুম থাকলেও অফিস কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তো ষোলো আনাই চাইবে আপনার কাছে। তাই জেনে নিন যে পাঁচ উপায়ে ঘুম ঘুম লাগলেও জেগে থাকা যায়। ]]></description>
<enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2023-07%2F52abfe57-1f16-45d4-bfe1-3a1cfa6b436e%2Fheadphone_prothom_alo.png" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Aug 2023 13:20:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>আগের রাতে ভালো ঘুম হয়নি, ঘুমে চোখ ঢুলুঢুলু, তারপরও জেগে থেকে কাজ করতে হচ্ছে? এমন পরিস্থিতিতে কিন্তু আমরা অনেকেই পড়ি। বিশেষ করে ছুটির দিনের পরের দিনে। কিংবা রাতের ভ্রমণ শেষে পরদিন সকালে অফিস বা ক্লাসে যেতে হলে তো এমন অভিজ্ঞতা অবধারিত। চোখে ঘুম থাকলেও অফিস কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তো ষোলো আনাই চাইবে আপনার কাছে। তাই জেনে নিন যে পাঁচ উপায়ে ঘুম ঘুম লাগলেও জেগে থাকা যায়।</span></p>
<p><strong>উচ্চ বিটের গান শোনা</strong></p>
<p>এমন কিছু গান বাছাই করুন, যা প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১৩০টি উচ্চ বিট সৃষ্টি করে। তবে গানের বিট যেন এত বেশি না হয়, যা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উল্টো দিকে মিনিটে ৬০টি বা এর চেয়ে কম বিটের গান আমাদের চোখে ঘুম এনে দেয়। তাই শোনার জন্য কী ধরনের গান নির্বাচন করছেন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, নইলে হিতে বিপরীত হতে পারে।</p>
<p><strong>উজ্জ্বল আলোয় থাকা</strong></p>
<p>উজ্জ্বল আলো আমাদের চোখে থেকে ঘুম তাড়ায়। তাই জানালার পর্দা সরিয়ে ঘরের আলো ঢুকতে দিন। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে দিনেও ঘরের বাতি জ্বালান। চেষ্টা করুন আলোর ঔজ্জ্বল্য সর্বোচ্চ মাত্রায় নিতে। কিংবা যেখানে বসে কাজ করবেন, সে জায়গায় আলোর স্বতঃস্ফূর্ত সরবরাহ নিশ্চিত করুন।</p>
<p><strong>পর্যাপ্ত পানি খাওয়া</strong></p>
<p>শরীরে পানিশূন্যতা ঘুম ঘুম ভাবকে ত্বরান্বিত করে। হার্ভার্ড হেলথ বলছে, ঠিকমতো পানি পান আপনার ঘুম ঘুম ভাব দূর করতে সাহায্য করে। তার মানে এই নয় যে শুধুই বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। পানি ছাড়া আরও অনেক ধরনের পানীয় আছে, যা শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে। ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় বা চা–কফি এ ক্ষেত্রে হতে পারে দারুণ সমাধান।</p>
<p><strong>ব্যায়াম করা</strong></p>
<p>এমন কিছু ব্যায়াম আছে, যা আপনার শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ ত্বরান্বিত করে। পর্যাপ্ত অক্সিজেন আপনার শরীরের প্রবেশ করে কিছু হরমোনের নিঃসরণ করে শরীরকে চাঙা করে তোলে।</p>
<p><strong>মন ভালো রাখা</strong></p>
<p>বিষণ্নতা আর একঘেয়েমি—দুটোই শরীর ও মনকে ক্লান্ত করে ফেলে। ফলে ঘুম ঘুম ভাব আসে দ্রুত। তাই একঘেয়েমি কাটাতে নতুন কিছু করুন। আপনার আগ্রহের বিষয় নিয়ে একটা লেখা পড়ে ফেলতে পারেন। কিংবা একটানা কাজ না করে আশপাশের কারও সঙ্গে একটু খোশগল্প করুন। অর্থাৎ রুটিনমাফিক কাজে একটু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটান। এতে ক্লান্তি–অবসাদ থেকে দূরে থাকতে পারবেন, ঘুম ঘুম ভাবও কেটে যাবে।</p>
<p>তবে শেষের আগে কিছু কথা। ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে কাজ করা মোটেও ভালো কিছু নয়। হঠাৎ দু–এক দিন এমনটা হলে সমস্যা নেই, ঘন ঘন হলেই বিপদ। বিশেষ করে ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে গাড়ি চালানো বা ভ্রমণ এড়ানো ভালো।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেঙ্গু রোগীতে ঠাসা প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালগুলো</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B</guid>
<description><![CDATA[ দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার স্থিতিশীল হওয়ায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কিছুটা কমেছে। তবে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চিত্র এখনও উদ্বেগজনক। শয্যা ফাঁকা না থাকায় প্রথম সারির অনেক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হচ্ছে ডেঙ্গু রোগীদের। ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/dn-3-20230810230303.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Aug 2023 15:44:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে ৫৬টি বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করা হচ্ছে। এসব হাসপাতালে এ পর্যন্ত সর্বমোট ১৫ হাজার ৫৫৬ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ৯ আগস্ট পর্যন্ত এসব হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৭৩ জনের। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ২ হাজার ৮৭ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে (ডিপিডিসি) কর্মরত তাওহীদা খুশবো গত সোমবার এভারকেয়ার হাসপাতালে এসেছিলেন তার ৬ বছর ৭ মাস বয়সী মেয়ে তাহিয়াত জান্নাতকে ভর্তি করাতে। জান্নাতের জ্বর সেদিন ১০৪ ডিগ্রির নিচে নামছিল না। কিন্তু তবু ভর্তি নেয়নি এভারকেয়ার, কারণ তাদের শয্যা খালি ছিল না।</p>
<p style="text-align: justify;">তাওহীদা খুশবো ঢাকা পোস্টকে বলেন, মেয়েকে ভর্তির জন্য আমরা এভারকেয়ার হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে যোগাযোগ করলে তারা জানায় ভর্তি নিতে পারবে না, কারণ সিট ফাঁকা নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রথম সারির আরেক বেসরকারি হাসপাতাল স্কয়ার হাসপাতালে একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় বেসরকারি একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামকে। ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানকে তিনিও ভর্তি করাতে পারেননি স্কয়ার হাসপাতালে। শেষ পর্যন্ত হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তানকে ভর্তি করান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকার ডেঙ্গু আক্রান্তের হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে, তবে এখন ঢাকার বাইরে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ঢাকায় স্থিতিশীল থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কিছুটা কমে এসেছে। তবে প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ আছে।</p>
<div class="quote-body" style="text-align: justify;">
<aside class="quote"><cite class="quote-by">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন</cite></aside>
</div>
<p style="text-align: justify;">সাইফুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে এ বছর সবাই আতঙ্কে আছে। এ কারণে প্রিয়জনদের কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ভালো সেবার জন্য বেশি খরচ করে হলেও প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চায়। কিন্তু এখন দেখছি সরকারি হাসপাতালে শয্যা ফাঁকা থাকলেও বেসরকারি  হাসপাতাল রোগী নিতে পারছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">সাধারণ ডেঙ্গু রোগীদের ভর্তি নিচ্ছে না এভারকেয়ার</p>
<p style="text-align: justify;">রোগী ভর্তি না করা প্রসঙ্গে এভারকেয়ার হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার মফিজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিট ফাঁকা না থাকলে আমরা কীভাবে ভর্তি নেব বলেন? আমাদের তো নির্দিষ্ট পরিমাণ শয্যাভিত্তিক রোগী ভর্তি করা হয়। শয্যা ছাড়া তো আমরা কোনো রোগী ভর্তি নিতে পারি না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু যদি কারও ক্রিটিক্যাল হয়ে যায়, কারও যদি আইসিইউয়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা তাদের ভর্তি নিচ্ছি। যারা সাধারণ ডেঙ্গু নিয়ে আসছে, তাদের আমরা ভর্তি নিচ্ছি না। বলছি আমাদের সাধারণ বেড ফাঁকা নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সত্যি বলতে বেডের বিষয়টা এখন জোর দিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। এখন বলছি আইসিইউ প্রয়োজন এমন রোগীদের আমরা ভর্তি নিচ্ছি, কিন্তু এক ঘণ্টা পরে এ সিদ্ধান্ত নাও থাকতে পারে। কারণ- আমাদের ইমারজেন্সিতে সবসময় ৮ থেকে ১০ জন রোগী সিরিয়ালে থাকেই। অর্থাৎ এখন ফাঁকা আছে, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে সেগুলো পূর্ণ হয়ে যেতে পারে। সুতরাং ফাঁকা আছে এই বিষয়টি আমরা গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারছি না।</p>
<p style="text-align: justify;">‘এই ফাঁকা, এই পূর্ণ’ পপুলার হাসপাতাল</p>
<p style="text-align: justify;">পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ডা. ইশতিয়াক রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত কোনো শয্যা বরাদ্দ না থাকলেও নিয়মিত ৪০ থেকে ৬০ জনের মতো ডেঙ্গু রোগী এখানে ভর্তি থাকেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে মিনিমাম তিন-চার দিন থাকে। আর অন্যান্য কিছু রোগী আছে একদিন থেকেও বাসায় চলে যায়। এ কারণে সিটের বিষয়টি কনফার্ম করে আমরা কখনো বলতে পারি না। হঠাৎ খালি হয়, আবার হঠাৎ সেগুলো ভর্তিও হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ডা. ইশতিয়াক রহমান আরও বলেন, সকালের দিকে কিছু সিট ফাঁকা থাকলেও সন্ধ্যার দিকে সবগুলো পূর্ণ হয়ে যায়। যে কারণে সন্ধ্যার পর কোনো ডেঙ্গু রোগী এলেও অনেক সময় আমরা তাদের ভর্তি নিতে পারি না। তবে ইমারজেন্সি কোনো রোগী এলে তাদের আমরা ইমারজেন্সিতে ফ্লুইড স্যালাইন দিয়ে রেখে দিই।</p>
<p style="text-align: justify;">এক কেবিনে দুই ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেয় ল্যাবএইড</p>
<p style="text-align: justify;">ল্যাবএইড হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ল্যাবএইড হাসপাতালে প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগী থাকে ৩০ থেকে ৪০ জন, যদিও ডেঙ্গুর জন্য ২৩টি সিট বরাদ্দ আছে। এখন আর ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষায়িত কোনো বেড রাখা হচ্ছে না। যারাই আসছে আমরা ভর্তি নিয়ে নিচ্ছি। যদিও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আমরা আলাদা একটি ওয়ার্ডের মতো করেছি, কিন্তু সেই বেডগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ কম।</p>
<div class="quote-body" style="text-align: justify;">
<aside class="quote">সিট ফাঁকা না থাকলে আমরা কীভাবে ভর্তি নেব বলেন? আমাদের তো নির্দিষ্ট পরিমাণ শয্যাভিত্তিক রোগী ভর্তি করা হয়। শয্যা ছাড়া তো আমরা কোনো রোগী ভর্তি নিতে পারি না। ডেঙ্গু যদি কারও ক্রিটিক্যাল হয়ে যায়, কারও যদি আইসিইউয়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা তাদের ভর্তি নিচ্ছি। যারা সাধারণ ডেঙ্গু নিয়ে আসছে, তাদের আমরা ভর্তি নিচ্ছি না। বলছি আমাদের সাধারণ বেড ফাঁকা নেই।<cite class="quote-by">এভারকেয়ার হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার মফিজুল ইসলাম</cite></aside>
</div>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েই বেশিরভাগ মানুষ কেবিন চায়, যে কারণে সাধারণ বেডের তুলনায় আমাদের হাসপাতালে কেবিনের চাপটা একটু বেশি। এর বাইরে ৮০টি সিটের মতো আছে, যেগুলোতে আমরা রোগীদের ভর্তি দিতে পারি।</p>
<p style="text-align: justify;">ডেঙ্গু রোগী আসছে, কিন্তু ভর্তি নিতে পারছেন না- এমনটা কখনও হয় কি না জানতে চাইলে আরিফুর রহমান বলেন, এ রকম যে হয় না, তা না। তবে আমরা চেষ্টা করি কোনো না কোনোভাবে রোগীটিকে সেবা দেওয়ার। অনেক সময় এক কেবিনেই রোগীদের সাথে কথা বলে আরেকজন রোগীকে ‘আউট পেশেন্ট’ হিসেবে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। আমরা চেষ্টা করি রোগীর প্রায়োরিটি অনুযায়ী ট্রিটমেন্টটা নিশ্চিত করার।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা স্থিতিশীল হলেও ঢাকার বাইরে বাড়ছে  </p>
<p style="text-align: justify;">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকার ডেঙ্গু আক্রান্তের হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে, তবে এখন ঢাকার বাইরে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ঢাকায় স্থিতিশীল থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কিছুটা কমে এসেছে। তবে প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ আছে।</p>
<div class="quote-body" style="text-align: justify;">
<aside class="quote">ল্যাবএইড হাসপাতালে প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগী থাকে ৩০ থেকে ৪০ জন, যদিও ডেঙ্গুর জন্য ২৩টি সিট বরাদ্দ আছে। এখন আর ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষায়িত কোনো বেড রাখা হচ্ছে না। যারাই আসছে আমরা ভর্তি নিয়ে নিচ্ছি। যদিও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আমরা আলাদা একটি ওয়ার্ডের মতো করেছি, কিন্তু সেই বেডগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ কম।<cite class="quote-by">ল্যাবএইড হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুর রহমান</cite></aside>
</div>
<p style="text-align: justify;">শাহাদাত হোসেন বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসায় নির্দিষ্ট গাইডলাইন করে দেওয়া আছে, তাদের বলা হয়েছে সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে। তাদের (বেসরকারি) ডেঙ্গু পরীক্ষায় (এনএস-১) সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর বেশি কারও নেওয়ার সুযোগ নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ঢাকায় বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালটিতে রোগীদের জন্য মোট শয্যা রয়েছে ৬০০টি। রাজধানীতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া অন্যান্য প্রায় সবগুলো হাসপাতালে শয্যা ফাঁকা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর সর্বমোট ৫৬টি বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ডেঙ্গু রোগীর তথ্য দিচ্ছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি আছে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কাকরাইল ইসলামি ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বেড়েই চলেছে রাজবাড়ীতে ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা, হাসপাতালে ভর্তি ৬৯</title>
<link>https://www.asiansomoy.com/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87</link>
<guid>https://www.asiansomoy.com/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%81-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87</guid>
<description><![CDATA[ রাজবাড়ীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬৯ জন রোগী। ]]></description>
<enclosure url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/rajbari-20230811060505.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 May 2023 15:38:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>এশিয়ান সময়: ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>ডেঙ্গু আক্রান্ত</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) এ তথ্য জানান জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. ইব্রাহিম টিটন।</strong></p>
<p style="text-align: justify;">জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ২০, পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫, কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২, বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ ও গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫২৮ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪৫৯ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. ইব্রাহিম টিটন বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমাদের যথেষ্ট আন্তরিকতা রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এ বর্ষা মৌসুমটা আমাদেরকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, মূলত জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস এলেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। এর থেকে রেহাই পেতে হলে সকলকে সচেতন হতে হবে। বাড়ির আঙিনায় পানি জমিয়ে রাখা যাবে না এবং রাতে ঘুমানোর সময় মশারি টাঙাতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় চাহিদা বেড়েছে খাবার স্যালাইন ও ডাবের। এই সুযোগে ডাবের দাম রাখা হচ্ছে দ্বিগুণ। রাজবাড়ীতে বড় সাইজের একেকটি ডাব আগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। আর মাঝারি সাইজের ডাব আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে আকার ভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকায়। এতে বিপাকে পড়েছেন রোগী ও স্বজনরা।</p>
<p style="text-align: justify;"><em>মীর সামসুজ্জামান/এমজেইউ</em></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>