বিরোধী দলের তীব্র আপত্তির মুখে র্যাব বিলুপ্ত করে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)' নামে নতুন SRB বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিল সংসদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
র্যাবের বিদ্যমান জনবল, ক্ষমতা, সম্পদ ও দায়দেনা সরাসরি এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে। বিরোধীরা একে কেবল 'সাইনবোর্ড পরিবর্তন' এবং পুরোনো কাঠামো বহাল রাখার অভিযোগ তুলেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী র্যাব বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় অস্ত্র ও প্রযুক্তি রক্ষার্থেই তা এসআরবিতে দেওয়া হচ্ছে।
এসআরবির প্রধান হবেন একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক। তবে নতুন আইনে শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা অনুযায়ী পুলিশের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রেষণে যুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতার পাশাপাশি নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও পৃথক জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার পূর্ণ আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, পুরোনো বিতর্কিত কাঠামো বজায় রাখা বিপজ্জনক। একইসঙ্গে বিরোধীরা আশঙ্কা করছেন, এই তড়িঘড়ি আইনের ফলে অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
একইসঙ্গে পাস হওয়া 'এপিবিএন বিল-২০২৬'-এ সংস্থাকে তদন্ত ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সদস্যদের গণমাধ্যমে তথ্য প্রকাশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।