নড়াইলে বিদ্যুৎ কর্মকর্তার দুর্ব্যবহারে ক্ষোভে ফেটে পড়লো ব্যবসায়ীরা, বিক্ষোভ মিছিল

নড়াইলে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. রুহুল আমিনের অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় সদর উপজেলার মাইজপাড়া বাজারে বনিক সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বনিক সমিতির আহ্বায়ক মো. নাদের হোসেন অভিযোগ করে বলেন, বাজারে স্থাপন করা বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়ায় একাধিকবার অনুরোধ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট সরকার নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘ দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও খুঁটির অবস্থান অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুরোধ করলেও ডিজিএম কর্ণপাত করেননি বরং অবজ্ঞা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন।
তিনি আরো জানান, খুঁটিতে একাধিকবার আগুন লাগলেও ডিজিএম দাম্ভিক ভঙ্গিতে বলেছেন—“মাইজপাড়ার মত ২০টা বাজার পুড়ে গেলেও আমার কিছু হবে না।” সম্প্রতি এক পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হলেও অফিসে পাঠানো প্রতিনিধিকে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করে বের করে দেওয়া হয়।
সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, অব্যবস্থাপনার কারণে বাজারের এক কলেজছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে। বড় ব্যবসা-বাণিজ্য চলা এ বাজারে খুঁটিটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তাই তারা দ্রুত বৈদ্যুতিক খুঁটি সরিয়ে নিরাপদ স্থানে প্রতিস্থাপন এবং দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
মাইজপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শফুরা বেগম বলেন, “ডিজিএম এর অসৌজন্যমূলক আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। বাজারের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সবাই একসাথে আবারও দাবি জানাবো।” সংবাদ সম্মেলনে ডা. ফখরুদ্দিন, সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, গোবিন্দ কুমার কুন্ড, পরিমল কুমার কুন্ড, বদরুজ্জামানসহ সমিতির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
দেড় শতাধিক দোকান মালিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। শেষে বাজারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, এ বিষয়ে ডিজিএম রুহুল আমিন মোবাইল ফোনে জানান, আনীত অভিযোগ সত্য নয়।